যুবককে বাড়ি থেকে তুলে এনে মোবাইল ফেরত দিলেন ওসি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় আটককৃত আসামির দুটি মোবাইল ফোন গায়েবের অভিযোগ উঠেছিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৫ জুলাই (বুধবার) ‘কালবেলা’ অনলাইনে ‘আসামির মোবাইল গায়েবের অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে সেই ফোন দুটি ফেরত দিয়েছেন ওই ওসি। ভুক্তভোগী যুবক নাজমুল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এ বিষয় নিয়ে রাতেই ওসি গাড়িতে করে আমার বাড়িতে আসেন। আইফোন ছিল কিনা সেটি যাচাই-বাছাই করেন। নিউজ প্রকাশের পর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসামি নাজমুলের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে মোটরসাইকেলে থানায় তুলে এনে তার দুটি ফোন ফেরত দেন ওসি। এ সময় ওসি থানা থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের কিছু জানাতে নিষেধ করেন। এছাড়াও ওসি ও এসআই তাকে সাজানো কথা বলতে শিখিয়ে দেন। তিনি আরো জানান, তার দুটি ফোনের মধ্যে একটি আইফোন-১২ প্রো ম্যাক্স ও পোকো-এক্স-৩ মডেলের। গত ১১ জুন আমাকে মামুন কম্পিউটার থেকে আটক করে। টেবিলের ওপর ২ পিস ইয়াবা পেলেও আমাকে ১০ পিস ইয়াবা দিয়ে চালান দেন। এরপর ১ জুলাই জামিনে মুক্ত হয়ে ফোন নিতে থানায় গেলে আমাকে ঘুরান।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় আটককৃত আসামির দুটি মোবাইল ফোন গায়েবের অভিযোগ উঠেছিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ১৫ জুলাই (বুধবার) ‘কালবেলা’ অনলাইনে ‘আসামির মোবাইল গায়েবের অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে সেই ফোন দুটি ফেরত দিয়েছেন ওই ওসি।
ভুক্তভোগী যুবক নাজমুল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এ বিষয় নিয়ে রাতেই ওসি গাড়িতে করে আমার বাড়িতে আসেন। আইফোন ছিল কিনা সেটি যাচাই-বাছাই করেন। নিউজ প্রকাশের পর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসামি নাজমুলের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে মোটরসাইকেলে থানায় তুলে এনে তার দুটি ফোন ফেরত দেন ওসি। এ সময় ওসি থানা থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের কিছু জানাতে নিষেধ করেন। এছাড়াও ওসি ও এসআই তাকে সাজানো কথা বলতে শিখিয়ে দেন।
তিনি আরো জানান, তার দুটি ফোনের মধ্যে একটি আইফোন-১২ প্রো ম্যাক্স ও পোকো-এক্স-৩ মডেলের। গত ১১ জুন আমাকে মামুন কম্পিউটার থেকে আটক করে। টেবিলের ওপর ২ পিস ইয়াবা পেলেও আমাকে ১০ পিস ইয়াবা দিয়ে চালান দেন। এরপর ১ জুলাই জামিনে মুক্ত হয়ে ফোন নিতে থানায় গেলে আমাকে ঘুরান। এছাড়াও ওসি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও মারতে উদ্যত হন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, তার দুটি ফোনই ফেরত দেওয়া হয়েছে। যারা ওখানে গিয়েছিল তাদের ড্রয়ারে ছিল। এতো লোভ আছে পুলিশের?
কিন্তু এরআগে অভিযানের সময় আইফোন ছিল না বলে জানিয়েছিলেন ওসি।
What's Your Reaction?