যুবকদের সচেতনতায় রক্ষা পেল ঘুমন্ত বস্তিবাসী

ঢাকার তুরাগে একটি টিনশেড বস্তিতে আগুন লেগে বেশ কয়েকটি ঘর পুড়ে গেছে। কয়েকজন যুবকের সচেতনতায় প্রাণে রক্ষা পেলেন বস্তির কয়েকশ বাসিন্দা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকার তুরাগ এলাকার একটি বস্তিতে আগুনে কয়েকটি ঘর পুড়ে যায়। জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উত্তরা মডেল টাউনের ১০ নং সেক্টরের (বর্ধিতাংশ) নতুন আবাসিক এলাকা ঘেঁষে থাকা বস্তি থেকে কালো ধোয়া উঠতে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দা সমকালের সাংবাদিক সাব্বির খান। তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিয়ে সেখানে ছুটে যান তিনি। এ সময় তুরাগ থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন পারভেজ তন্ময় ও তার সঙ্গীয় যুবকদের সঙ্গে নিয়ে বস্তিতে ঘুমন্ত মানুষদের ডেকে তোলেন তারা।  সাংবাদিক সাব্বির খান বলেন, সাহরির পর শুয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। বেডরুমের বারান্দা থেকে কালো ধোয়া চোখে পড়তেই ফায়ার ব্রিগেডের জরুরি নম্বরে ফোন দেই। এরপর স্থানীয় কয়েকজন যুবককে ফোন দিয়ে তাদের নিয়ে সেখানে যাই। ঘুমন্ত বস্তিবাসীকে ঢেকে তুললেও তাদের ঘরবাড়ি রক্ষা করা যায়নি। প্রাথমিক ধারণামতে, বাতাসের প্রবাহ ও গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে প্রকট আকার ধারণ করে আগুন।  ক্ষতিগ্রস্তরা জান

যুবকদের সচেতনতায় রক্ষা পেল ঘুমন্ত বস্তিবাসী

ঢাকার তুরাগে একটি টিনশেড বস্তিতে আগুন লেগে বেশ কয়েকটি ঘর পুড়ে গেছে। কয়েকজন যুবকের সচেতনতায় প্রাণে রক্ষা পেলেন বস্তির কয়েকশ বাসিন্দা।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকার তুরাগ এলাকার একটি বস্তিতে আগুনে কয়েকটি ঘর পুড়ে যায়।

জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উত্তরা মডেল টাউনের ১০ নং সেক্টরের (বর্ধিতাংশ) নতুন আবাসিক এলাকা ঘেঁষে থাকা বস্তি থেকে কালো ধোয়া উঠতে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দা সমকালের সাংবাদিক সাব্বির খান। তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিয়ে সেখানে ছুটে যান তিনি। এ সময় তুরাগ থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন পারভেজ তন্ময় ও তার সঙ্গীয় যুবকদের সঙ্গে নিয়ে বস্তিতে ঘুমন্ত মানুষদের ডেকে তোলেন তারা। 
সাংবাদিক সাব্বির খান বলেন, সাহরির পর শুয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। বেডরুমের বারান্দা থেকে কালো ধোয়া চোখে পড়তেই ফায়ার ব্রিগেডের জরুরি নম্বরে ফোন দেই। এরপর স্থানীয় কয়েকজন যুবককে ফোন দিয়ে তাদের নিয়ে সেখানে যাই। ঘুমন্ত বস্তিবাসীকে ঢেকে তুললেও তাদের ঘরবাড়ি রক্ষা করা যায়নি। প্রাথমিক ধারণামতে, বাতাসের প্রবাহ ও গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে প্রকট আকার ধারণ করে আগুন। 

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, তাদের সামান্য মালপত্র শুধু রক্ষা করতে পেরেছেন। টিনের ঘর হওয়ার কারণে আগুনের তাপে ভেতরে যাওয়া যায়নি।
বস্তির পূর্ব অংশের বাসিন্দা আছিয়া ও সুমন মিয়া জানান, ওই সাংবাদিক ও যুবকেরা ছুটে না এলে অন্তত ৫ শতাধিক মানুষ ঘুমের মাঝেই পুড়ে অঙ্গার হয়ে যেত।

শাহেদ সরদার নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, উনারা জীবন রক্ষা করেছেন। তবে সব পুড়ে শেষ।

এক বৃদ্ধা মহিলা বলেন, নাতনির চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা ঋণ এনেছিলেন সেটাও পুড়ে গেছে।

ডিয়াবাড়ী ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ক্ষয়ক্ষতি ও আগুনের সূত্রপাত সম্পর্ক এখনো ধারণা পাওয়া যায়নি। 
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow