যুবদল নেতা বহিষ্কার
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নওয়াবেঁকিতে সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগে যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নীতি-আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিএম হাবিবুল্লাহকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না। পাশাপাশি সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
এর আগে নওয়াবেঁকি এলাকায় সরকারি খাস খতিয়ানের জমি দখলের অভিযোগ ওঠে জিএম হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান অভিযোগ করেন, বৈধ লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও তাকে ও তার পরিবারকে জোরপূর্
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নওয়াবেঁকিতে সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগে যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নীতি-আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিএম হাবিবুল্লাহকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না। পাশাপাশি সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
এর আগে নওয়াবেঁকি এলাকায় সরকারি খাস খতিয়ানের জমি দখলের অভিযোগ ওঠে জিএম হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান অভিযোগ করেন, বৈধ লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও তাকে ও তার পরিবারকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে জমি দখল করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটুলিয়া মৌজার ৫১৫৮ দাগের জমি সরকারিভাবে বন্দোবস্ত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছিলেন তারা। সম্প্রতি ওই জমি দখল করে সেখানে দলীয় সাইনবোর্ড টাঙানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে অভিযুক্ত নেতাকে বলতে শোনা যায়, এসপি, ডিসিও আমার কিছুই করতে পারবে না। এমন বক্তব্যে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও জিএম হাবিবুল্লাহকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার বলেন, অভিযোগটি এখনো তার নজরে আসেনি। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী পরিবার জমি পুনরুদ্ধার এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।