যে কারণে এখন আর পারেদেসের শাস্তি চান না গাভি
স্পেনের মিডফিল্ডার গাভি প্রথমবারের মতো ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হওয়া হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন। বুধবার নিজের জন্মস্থান লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা-তে ফাবিয়ান রুইজের সঙ্গে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি পুরো ঘটনাকে তেমন গুরুত্ব দেননি এবং বলেছেন, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়ার পক্ষেও তিনি নন। ফিফা ইতোমধ্যেই এ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও, গাভির মতে বিষয়টি মাঠেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না তাদের নিষিদ্ধ করা উচিত। আমি বুঝি, শিশুদের জন্য এটি ভালো উদাহরণ নয়। কিন্তু ফুটবলের এমন একটি দিকও আছে, যা একটু বেশি শারীরিক ও উত্তেজনাপূর্ণ।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার কাছে সবচেয়ে যৌক্তিক বিষয় হতো, ম্যাচ চলাকালীনই তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে বিষয়টি সেখানেই শেষ করা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটা ফুটবলেরই অংশ, আর এমনটা কখনও কখনও হবেই।’ নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পর উদযাপনের সময় দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ বাধে। ঘটনার সূচনা হয় যখন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা উদযাপন করতে ছুটে আসা স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রির সঙ্গে ধাক্কা খ
স্পেনের মিডফিল্ডার গাভি প্রথমবারের মতো ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হওয়া হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন। বুধবার নিজের জন্মস্থান লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা-তে ফাবিয়ান রুইজের সঙ্গে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি পুরো ঘটনাকে তেমন গুরুত্ব দেননি এবং বলেছেন, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়ার পক্ষেও তিনি নন।
ফিফা ইতোমধ্যেই এ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও, গাভির মতে বিষয়টি মাঠেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না তাদের নিষিদ্ধ করা উচিত। আমি বুঝি, শিশুদের জন্য এটি ভালো উদাহরণ নয়। কিন্তু ফুটবলের এমন একটি দিকও আছে, যা একটু বেশি শারীরিক ও উত্তেজনাপূর্ণ।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার কাছে সবচেয়ে যৌক্তিক বিষয় হতো, ম্যাচ চলাকালীনই তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে বিষয়টি সেখানেই শেষ করা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটা ফুটবলেরই অংশ, আর এমনটা কখনও কখনও হবেই।’
নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পর উদযাপনের সময় দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ বাধে।
ঘটনার সূচনা হয় যখন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা উদযাপন করতে ছুটে আসা স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রির সঙ্গে ধাক্কা খান। রদ্রি প্রতিবাদ করলে বোরহা ইগলেসিয়াস ও এরিক গার্সিয়া দ্রুত মোলিনার দিকে এগিয়ে যান।
এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মোলিনা সরে গেলেও লিয়ান্দ্রো পারেদেস দৌড়ে এসে এরিক গার্সিয়াকে ধাক্কা দেন। বেঞ্চ থেকে উঠে আসা গাভিও ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ অনুযায়ী, পারেদেস এবং থিয়াগো আলমাদা তাকে ধাক্কাধাক্কি করেন।
এক পর্যায়ে পারেদেস গাভির গলা চেপে ধরে তাকে মাটিতে ফেলে দেওয়ারও চেষ্টা করেন। পরে আর্জেন্টিনার কোচিং স্টাফের সদস্য ওয়াল্টার সামুয়েল এবং দুই দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
যদিও ফিফা এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে, গাভির অবস্থান স্পষ্ট। তার মতে, ম্যাচের উত্তেজনায় এমন ঘটনা ঘটতেই পারে এবং ম্যাচ চলাকালীন শাস্তি দিলেই সেটাই যথেষ্ট হতো।
আরআর/এমএমআর
What's Your Reaction?