যে কারণে থানচি ভ্রমণে বিরত থাকতে বলছে প্রশাসন

টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছানো এবং তীব্র স্রোত সৃষ্টি হওয়ায় থানচি উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনে নৌপথ ও পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল। তিনি জানান, সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত, পাহাড়ধসের আশঙ্কা এবং বিরূপ আবহাওয়ার কারণে আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং ঝুঁকি কেটে গেলে পর্যটনকেন্দ্রগুলো আবারও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। ইউএনও আরও বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অপ্রয়োজনে নৌপথ ব্যবহার এবং পাহাড়ি এলাকায় চলাচল থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এদিকে স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল

যে কারণে থানচি ভ্রমণে বিরত থাকতে বলছে প্রশাসন

টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছানো এবং তীব্র স্রোত সৃষ্টি হওয়ায় থানচি উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনে নৌপথ ও পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল।

তিনি জানান, সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত, পাহাড়ধসের আশঙ্কা এবং বিরূপ আবহাওয়ার কারণে আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং ঝুঁকি কেটে গেলে পর্যটনকেন্দ্রগুলো আবারও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ইউএনও আরও বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অপ্রয়োজনে নৌপথ ব্যবহার এবং পাহাড়ি এলাকায় চলাচল থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে থানচি উপজেলা সদর থেকে দুর্গম তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের সঙ্গে নৌ-যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে দুই ইউনিয়নের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাও কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow