যে কারণে হাসপাতালকে কারাগারে রূপান্তর করছে শ্রীলঙ্কা
শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে ভয়াবহ দাঙ্গায় ২০ জন বন্দী ও আটজন কারারক্ষী নিহত হওয়ার পর দেশটির সরকার একটি পরিত্যক্ত হাসপাতালকে নতুন কারাগারে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় জানায়, কারাগারগুলোর অতিরিক্ত বন্দীসংখ্যা কমাতে দক্ষিণাঞ্চলের গল জেলার মাহামোদারা এলাকার পরিত্যক্ত হাসপাতালের একটি অংশ কারাগার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বিচারমন্ত্রী হর্ষণা নানায়াক্কারা এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন কারাগার চালু করতে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। তবে কবে এটি চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানানো হয়নি। গত রোববার রাজধানী কলম্বোর উত্তরে অবস্থিত নেগোম্বো কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি বন্দী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে ভয়াবহ দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এতে ২৮ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। বুধবার নিহত কারারক্ষীদের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিন কলম্বোতে কারা অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে নেওয়া হয়, যেখানে সহকর্মীরা তাদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। সাম্প্
শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে ভয়াবহ দাঙ্গায় ২০ জন বন্দী ও আটজন কারারক্ষী নিহত হওয়ার পর দেশটির সরকার একটি পরিত্যক্ত হাসপাতালকে নতুন কারাগারে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় জানায়, কারাগারগুলোর অতিরিক্ত বন্দীসংখ্যা কমাতে দক্ষিণাঞ্চলের গল জেলার মাহামোদারা এলাকার পরিত্যক্ত হাসপাতালের একটি অংশ কারাগার হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
বিচারমন্ত্রী হর্ষণা নানায়াক্কারা এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন কারাগার চালু করতে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। তবে কবে এটি চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানানো হয়নি।
গত রোববার রাজধানী কলম্বোর উত্তরে অবস্থিত নেগোম্বো কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি বন্দী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে ভয়াবহ দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এতে ২৮ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
বুধবার নিহত কারারক্ষীদের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিন কলম্বোতে কারা অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে নেওয়া হয়, যেখানে সহকর্মীরা তাদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
সাম্প্রতিক এই দাঙ্গার পর শ্রীলঙ্কার কারাগারগুলোর দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত বন্দীসংখ্যা ও নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটির কারাগারগুলো বর্তমানে নির্ধারিত ধারণক্ষমতার প্রায় চার গুণ বন্দী নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
দাঙ্গার পর কলম্বোতে জাতিসংঘের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার কারাগারগুলোতে অতিরিক্ত বন্দীসংখ্যা, পুরোনো ব্যবস্থাপনা এবং নিম্নমানের পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
এর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে করোনাভাইরাস মহামারির সময় আরেকটি কারাগারে দাঙ্গায় ১১ জন বন্দী নিহত এবং ১১৭ জন আহত হন। ওই ঘটনার পর কারাগারের ভিড় কমাতে সরকার শত শত বন্দীকে মুক্তি দিয়েছিল।
সূত্র: এএফপি
এমএসএম
What's Your Reaction?