যে ঘটনা ঘটলে বিশ্বকাপের মাঠেই লেগে যাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘যুদ্ধ’
দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ। গড়াতে পারে বিশ্বকাপেও। সেটা অবশ্য মাঠের যুদ্ধ। কয়েকটি ঘটনার মধ্যে একটি ঘটলে বিশ্বকাপে মুখোমুখি দেখা হয়ে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের। গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে খেলবে ইরান। তাদের তিনটি গ্রুপ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। একসময় ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ এবং দেশটির খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তবে সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে এখন নজর মাঠের লড়াইয়ে। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কীভাবে একে অপরের মুখোমুখি হতে পারে, তার কয়েকটি সম্ভাব্য সমীকরণ তুলে ধরা হলো। সম্ভাবনা-১যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দেখা হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো-যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রুপ ‘ডি’তে দ্বিতীয় হয় এবং ইরানও যদি গ্রুপ ‘জি’-তে দ্বিতীয় হয়।এমনটি ঘটলে দুই দল ৩ জুলাই টেক্সাসের আর্লিংটনে রাউন্ড অব ৩২-এ মুখোমুখি হবে। এই সমীকরণকে বেশ বাস্তবসম্মত বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র গ্রুপ জয়ের দাবিদার হলেও তুরস্ক তাদের জন্য শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। অন্যদিকে ইরানকে গ্রুপের তৃতীয় সেরা দল হিসেবে ধরা হলেও বেলজিয়াম বা মিশরের বিপক্ষে একটি অঘটন ঘটাতে
দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ। গড়াতে পারে বিশ্বকাপেও। সেটা অবশ্য মাঠের যুদ্ধ। কয়েকটি ঘটনার মধ্যে একটি ঘটলে বিশ্বকাপে মুখোমুখি দেখা হয়ে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের।
গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে খেলবে ইরান। তাদের তিনটি গ্রুপ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। একসময় ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ এবং দেশটির খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তবে সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে এখন নজর মাঠের লড়াইয়ে।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কীভাবে একে অপরের মুখোমুখি হতে পারে, তার কয়েকটি সম্ভাব্য সমীকরণ তুলে ধরা হলো।
সম্ভাবনা-১
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দেখা হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো-যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রুপ ‘ডি’তে দ্বিতীয় হয় এবং ইরানও যদি গ্রুপ ‘জি’-তে দ্বিতীয় হয়।এমনটি ঘটলে দুই দল ৩ জুলাই টেক্সাসের আর্লিংটনে রাউন্ড অব ৩২-এ মুখোমুখি হবে।
এই সমীকরণকে বেশ বাস্তবসম্মত বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র গ্রুপ জয়ের দাবিদার হলেও তুরস্ক তাদের জন্য শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। অন্যদিকে ইরানকে গ্রুপের তৃতীয় সেরা দল হিসেবে ধরা হলেও বেলজিয়াম বা মিশরের বিপক্ষে একটি অঘটন ঘটাতে পারলেই তারা দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে পারে।
সম্ভাবনা-২
আরেকটি সম্ভাবনা হলো-যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রুপ ‘ডি’তে প্রথম হয়, ইরানও যদি গ্রুপ ‘জি’তে প্রথম হয় এবং দুই দলই যদি রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচ জেতে, সেক্ষেত্রে তারা শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে।
তবে এই সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। কারণ ইরানকে গ্রুপের শীর্ষে উঠতে হলে বেলজিয়াম ও মিশর—দুই দলকেই পিছনে ফেলতে হবে।
সম্ভাবনা-৩
আরও একটি সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও তা বাস্তবায়ন হওয়া খুবই কঠিন। যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রুপ ‘ডি’-তে দ্বিতীয় হয়, গ্রুপ ‘জি’-তে তৃতীয় হয়ে নকআউটে জায়গা নিশ্চিত করলে ইরানকে ২ জুলাই ভ্যাঙ্কুভারে রাউন্ড অব ৩২-এ গ্রুপ ‘বি’-এর শীর্ষ দলটির মুখোমুখি হতে পারে। দুই দলই যদি নিজেদের ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছায়।
এটি সম্ভাব্য শেষ সমীকরণ হলেও বাস্তবে তা ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম। এই পরিস্থিতি বাস্তবায়নের পথে প্রথম বড় বাধা হলো, গ্রুপে তৃতীয় হওয়ার পর ইরানকে নকআউট ব্র্যাকেটের একটি নির্দিষ্ট স্থানে পড়তে হবে।
তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর নকআউট পর্বে অবস্থান নির্ধারণের ৪০০টিরও বেশি সম্ভাব্য সমন্বয় রয়েছে। কোন আটটি গ্রুপ থেকে তৃতীয় স্থান পাওয়া দলগুলো রাউন্ড অব ৩২-এ উঠবে, তার ওপর নির্ভর করে নকআউট ব্র্যাকেটে তাদের অবস্থান নির্ধারিত হবে।
সেখান থেকে কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছাতে হলে দুই দলকেই পরবর্তী ধাপগুলো পেরোতে হবে। এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সম্ভাব্যভাবে গ্রুপ ‘জে’-এর চ্যাম্পিয়ন দলকে হারাতে হবে-যে গ্রুপে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা রয়েছে।
একইভাবে, ইরানকে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠতে হলে গ্রুপ ‘বি’ এবং গ্রুপ ‘কে’-এর বিজয়ী দল দুটিকে পরাজিত করতে হবে।
এমএমআর
What's Your Reaction?