যে ৩ সমীকরণে বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো
প্রায় ছয় বছর ধরে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে মুখোমুখি হননি লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। শেষবার ২০২০ সালে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনা ও জুভেন্টাসের ম্যাচে একে অপরের বিপক্ষে খেলেছিলেন তারা। এরপর ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভিন্ন পথে চলায় আর দেখা হয়নি দুই মহাতারকার। তবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে পারে। টুর্নামেন্টের ড্র অনুযায়ী আর্জেন্টিনা রয়েছে ‘জে’ গ্রুপে এবং পর্তুগাল রয়েছে ‘কে’ গ্রুপে। নির্দিষ্ট কিছু সমীকরণে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আবারও মুখোমুখি হতে পারেন মেসি ও রোনালদো। সমীকরণ ১: কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল উভয়ই নিজেদের গ্রুপে প্রথম অবস্থানে থেকে গ্রুপপর্ব শেষ করে, তাহলে তারা টুর্নামেন্টের একই পাশের নকআউট ব্র্যাকেটে অবস্থান করবে। সেক্ষেত্রে রাউন্ড অব ৩২ ও রাউন্ড অব ১৬ পেরোতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালে দেখা হবে দুই দলের। সমীকরণ ২: রাউন্ড অব ১৬-তে লড়াই যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল উভয়েই নিজ নিজ গ্রুপে রানার্সআপ হয়, তাহলে টুর্নামেন্টের কাঠামো অনুযায়ী তারা সরাসরি রাউন্ড অব ১৬-তে মুখোমুখি হবে। তবে দুই দলের শক্তিমত্তা বিবেচনায় এই সম্ভাবনাক
প্রায় ছয় বছর ধরে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে মুখোমুখি হননি লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। শেষবার ২০২০ সালে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনা ও জুভেন্টাসের ম্যাচে একে অপরের বিপক্ষে খেলেছিলেন তারা। এরপর ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভিন্ন পথে চলায় আর দেখা হয়নি দুই মহাতারকার।
তবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে পারে। টুর্নামেন্টের ড্র অনুযায়ী আর্জেন্টিনা রয়েছে ‘জে’ গ্রুপে এবং পর্তুগাল রয়েছে ‘কে’ গ্রুপে। নির্দিষ্ট কিছু সমীকরণে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আবারও মুখোমুখি হতে পারেন মেসি ও রোনালদো।
সমীকরণ ১: কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি
যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল উভয়ই নিজেদের গ্রুপে প্রথম অবস্থানে থেকে গ্রুপপর্ব শেষ করে, তাহলে তারা টুর্নামেন্টের একই পাশের নকআউট ব্র্যাকেটে অবস্থান করবে। সেক্ষেত্রে রাউন্ড অব ৩২ ও রাউন্ড অব ১৬ পেরোতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালে দেখা হবে দুই দলের।
সমীকরণ ২: রাউন্ড অব ১৬-তে লড়াই
যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল উভয়েই নিজ নিজ গ্রুপে রানার্সআপ হয়, তাহলে টুর্নামেন্টের কাঠামো অনুযায়ী তারা সরাসরি রাউন্ড অব ১৬-তে মুখোমুখি হবে। তবে দুই দলের শক্তিমত্তা বিবেচনায় এই সম্ভাবনাকে তুলনামূলক কম বাস্তবসম্মত মনে করা হচ্ছে।
সমীকরণ ৩: বিশ্বকাপ ফাইনালে মহারণ
যদি একটি দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং অন্যটি রানার্সআপ হয়, তাহলে তাদের পথ আলাদা থাকবে। সে ক্ষেত্রে মেসি ও রোনালদোর দেখা হতে পারে শুধুমাত্র বিশ্বকাপের ফাইনালে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে।
২০২৬ বিশ্বকাপ মেসি ও রোনালদোর ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই ফুটবলপ্রেমীরা আরেকবার এই দুই কিংবদন্তিকে একই মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখার আশায় রয়েছেন। বিশেষ করে বিশ্বকাপের ফাইনালে তাদের সম্ভাব্য মুখোমুখি লড়াই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে।
What's Your Reaction?