‘যেখানে আমাদের খেলোয়াড়দের সম্মান নেই, সেই খেলা দেখানোরও দরকার নেই’
মোস্তাফিজুর রহমানের এক ইস্যু নিয়ে সরগরম পুরো দেশ। ধর্মীয় বিদ্বেষের কারণে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে কাটার মাস্টারকে। যে ঘটনা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা। যার জেরে বাংলাদেশ দল ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিসিবি পরিচালক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট মনে করেন, এটি সঠিক সিদ্ধান্তই। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে খালেদ মাসুদ বলেন, ‘একদম সঠিক সিদ্ধান্ত। সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি যেটা অনুভব করছি, খেলোয়াড়কে যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে, তাহলে যেকোনো একটা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’ পাইলট মনে করছেন, অন্য কোনো কারণ হলে কথা ছিল। যে কারণে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। খালেদ মাসুদ বলেন, ‘যে ইস্যু নিয়ে মোস্তাফিজকে (ফেরত) পাঠানো হয়েছে, সেটা কিন্তু বোধগম্য না। পারফরম্যান্সের কারণে হতে পারত। কিন্তু কোনো কিছুই না, তবু এটা করা হলো, যা আমাদের সবাইকে ছুঁয়ে গেছে। দিন শেষে আমাদের স্বার্থটা দেখতে হবে। যেখানে আমাদের খেলোয়াড়দের সম্মান নেই, সেই খেলা আমাদের দেখানোরও দরকার নেই। আমরা ক্রিকেট ভালোবাসি, সব রকম খেলা ভালোবাসি। কিন্তু যখন
মোস্তাফিজুর রহমানের এক ইস্যু নিয়ে সরগরম পুরো দেশ। ধর্মীয় বিদ্বেষের কারণে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে কাটার মাস্টারকে। যে ঘটনা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা।
যার জেরে বাংলাদেশ দল ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিসিবি পরিচালক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট মনে করেন, এটি সঠিক সিদ্ধান্তই।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে খালেদ মাসুদ বলেন, ‘একদম সঠিক সিদ্ধান্ত। সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি যেটা অনুভব করছি, খেলোয়াড়কে যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে, তাহলে যেকোনো একটা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
পাইলট মনে করছেন, অন্য কোনো কারণ হলে কথা ছিল। যে কারণে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তা মেনে নেওয়ার মতো নয়।
খালেদ মাসুদ বলেন, ‘যে ইস্যু নিয়ে মোস্তাফিজকে (ফেরত) পাঠানো হয়েছে, সেটা কিন্তু বোধগম্য না। পারফরম্যান্সের কারণে হতে পারত। কিন্তু কোনো কিছুই না, তবু এটা করা হলো, যা আমাদের সবাইকে ছুঁয়ে গেছে। দিন শেষে আমাদের স্বার্থটা দেখতে হবে। যেখানে আমাদের খেলোয়াড়দের সম্মান নেই, সেই খেলা আমাদের দেখানোরও দরকার নেই। আমরা ক্রিকেট ভালোবাসি, সব রকম খেলা ভালোবাসি। কিন্তু যখন আমাদের এক নাগরিককে অসম্মান করবেন, আমার মনে হয় ওটা (আইপিএল) এড়িয়ে যাওয়াই উচিত। আর আমি আইপিএল এমনিতেও ওভাবে পছন্দ করি না।’
এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশনা এসেছে। ফলে এবারই প্রথমবার আইপিএল বর্জন করবেন বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।
পাইলট বলেন, ‘বাংলাদেশের নিজের পায়ে দাঁড়ানো উচিত। আমরা আমাদের মতো করে চলব। আইসিসি এটা ঠিক করার ব্যবস্থা করবে এবং আমার মনে হয় এটা খেলার মাধ্যমে সম্ভব।’
যদিও আইসিসি কতটা বাংলাদেশের পক্ষে থাকবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে বিসিবি পরিচালকের। কেননা আইসিসির চেয়ারম্যান এখন বিজেপির রাজনীতিবিদ অমিত শাহর ছেলে জয় শাহ।
খালেদ মাসুদ বলেন, ‘আমরা বিশ্বকাপ খেলব কিন্তু আইসিসির অধীনে। চিঠিটা তাই দিতে হয় আইসিসিকে। আইসিসি কতটা ন্যায্য, কতটা অন্যায্য থাকবে, তা আমরা সবাই জানি। আইসিসির ওপর প্রভাব খাটায় কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তো অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে ন্যায্য বিচারটা হয় না-এটা আমার অনেক সময়ই মনে হয়েছে একজন খেলোয়াড় হিসেবে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উচিত নিজের অবস্থানে থাকা। প্রতিপক্ষ কী করছে, আইসিসি কী করছে-আমার মনে হয় এসবের চেয়ে আমরা কী পারব, কী পারব না, এ বিষয়ে সরাসরি মতামত থাকা ভালো।’
এমএমআর
What's Your Reaction?