যেভাবে ব্রাজিলের ‘হেক্সা পূরণ’

মিশন ছিল বিশ্বমঞ্চে ষষ্ঠ শিরোপা জয় করা। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে হেরে উল্টো এক ট্র্যাজিক হেক্সার বৃত্ত পূরণ হলো ব্রাজিলের। এই নিয়ে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে শিরোপা জিততে ব্যর্থ হলো ফুটবলের সফলতম এই দেশটি। সেই ২০০২ সালে এশিয়ার মাটিতে রোনালদো-রিভালদোদের হাত ধরে সর্বশেষ সোনালী ট্রফিতে চুমু খেয়েছিল সেলেসাওরা। এরপর দীর্ঘ ২৪টি বছর কেটে গেলেও বিশ্বকাপের ট্রফি আর ব্রাজিলে ফেরানো সম্ভব হয়নি। চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াই। কিন্তু মাঠের খেলায় ভাগ্য ও পারফরম্যান্স কোনোটিই পক্ষে ছিল না। প্রথমার্ধে ব্রুনো গুইমারেসের পেনাল্টি মিসের ধাক্কা এবং দ্বিতীয়ার্ধে নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোল  ব্রাজিলকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে দেয়। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে নেইমার জুনিয়র পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমালেও তা কেবল সান্ত্বনার তালিকাই ভারী করেছে, ব্রাজিলের বিদায় আটকাতে পারেনি। ২০০২ সালের পর থেকে প্রতিবারই ফেভারিটের তকমা নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছে ব্রাজিল। কিন্তু ২০০৬, ২০১০, ২০১৮, ২০২২ এবং এবার ২০২৬- পাঁচবারই কোয়ার্টার ফাইনাল বা তার আগ

যেভাবে ব্রাজিলের ‘হেক্সা পূরণ’

মিশন ছিল বিশ্বমঞ্চে ষষ্ঠ শিরোপা জয় করা। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে হেরে উল্টো এক ট্র্যাজিক হেক্সার বৃত্ত পূরণ হলো ব্রাজিলের। এই নিয়ে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে শিরোপা জিততে ব্যর্থ হলো ফুটবলের সফলতম এই দেশটি। সেই ২০০২ সালে এশিয়ার মাটিতে রোনালদো-রিভালদোদের হাত ধরে সর্বশেষ সোনালী ট্রফিতে চুমু খেয়েছিল সেলেসাওরা। এরপর দীর্ঘ ২৪টি বছর কেটে গেলেও বিশ্বকাপের ট্রফি আর ব্রাজিলে ফেরানো সম্ভব হয়নি।

চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াই। কিন্তু মাঠের খেলায় ভাগ্য ও পারফরম্যান্স কোনোটিই পক্ষে ছিল না। প্রথমার্ধে ব্রুনো গুইমারেসের পেনাল্টি মিসের ধাক্কা এবং দ্বিতীয়ার্ধে নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোল  ব্রাজিলকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে দেয়।

ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে নেইমার জুনিয়র পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমালেও তা কেবল সান্ত্বনার তালিকাই ভারী করেছে, ব্রাজিলের বিদায় আটকাতে পারেনি।

২০০২ সালের পর থেকে প্রতিবারই ফেভারিটের তকমা নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছে ব্রাজিল। কিন্তু ২০০৬, ২০১০, ২০১৮, ২০২২ এবং এবার ২০২৬- পাঁচবারই কোয়ার্টার ফাইনাল বা তার আগেই থামতে হয়েছে তাদের। আর ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে জার্মানির কাছে সেমিফাইনালের সেই ৭-১ গোলের দুঃস্বপ্ন তো রয়েছেই। সোনালী ট্রফি জয়ের মিশন নিয়ে এসে প্রতিবারই এভাবে খালি হাতে ফিরতে হলো পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের মধ্যেই নেইমারসহ ব্রাজিলের ফুটবলারদের অশ্রুসিক্ত চোখ যেন কোটি সমর্থকের সেই ২৪ বছরের কান্নারই প্রতিচ্ছবি। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফির খোঁজে আসা সেলেসাওদের এখন আরও চার বছর অপেক্ষা করতে হবে, আর ফুটবল ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো টানা ছয়টি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ট্রফিহীন থাকার এক অনাকাঙ্ক্ষিত দীর্ঘ খরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow