"যেমনটা চেয়েছিলাম, ঠিক তেমনই ফল পেয়েছি"

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক শাখা) ভর্তি পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন বাহ্মণবাড়িয়ার কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কলেজের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান। সোমবার (৬ মার্চ) দুপুরে গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক। জানা গেছে, এবারের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী মিজানুর রহমান ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮১.৫ নম্বর পেয়েছেন। তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায়। তিনি কাজি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি আছেন। এছাড়া তিনি এ বছরের ভর্তি পরীক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ইউনিটে ১৯৭তম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সি ইউনিটে ২০২ এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি ইউনিটে ২১তম স্থান অধিকার করেছেন। অনুভূতি প্রকাশ করে মিজানুর রহমান বল

"যেমনটা চেয়েছিলাম, ঠিক তেমনই ফল পেয়েছি"

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক শাখা) ভর্তি পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন বাহ্মণবাড়িয়ার কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কলেজের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান।

সোমবার (৬ মার্চ) দুপুরে গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক।

জানা গেছে, এবারের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী মিজানুর রহমান ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮১.৫ নম্বর পেয়েছেন। তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায়। তিনি কাজি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি আছেন।

এছাড়া তিনি এ বছরের ভর্তি পরীক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ইউনিটে ১৯৭তম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সি ইউনিটে ২০২ এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি ইউনিটে ২১তম স্থান অধিকার করেছেন।

অনুভূতি প্রকাশ করে মিজানুর রহমান বলেন, প্রথমবার কোচিংয়ে আমার ভালো প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ি। তখন সিদ্ধান্ত নিই—দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেব এবং আরও ভালো প্রস্তুতি নিয়ে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব। যদিও দ্বিতীয়বার দিতে গিয়ে নানা ধরনের প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে তারপরও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া—শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশিত ফলাফল এসেছে। আমি যেমনটা চেয়েছিলাম, ঠিক তেমনই ফল পেয়েছি।

এদিকে বি ইউনিটে মোট ৯৩ হাজার ১০২ জন আবেদনকারীর মধ্যে ৭৬ হাজার ৭৫৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। নির্ধারিত কাট মার্ক ৩০ নম্বরের উপরে পেয়ে ৪৬ হাজার ৬৩০ জন পরীক্ষার্থী ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করেছেন। যা মোট অংশগ্রহণকারীর ৬০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এবারের পরীক্ষায় সর্বনিম্ন নম্বর ছিল মাইনাস (-) ১৬.২৫।

উল্লেখ্য, আগামী ১০ এপ্রিল গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‘এ’ ইউনিট (বিজ্ঞান) ও আর্কিটেকচারের ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো— ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ তবিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow