যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার হুমকির অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতির বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৫ জুন) ছাত্রদল নেতা ও স্বামী মাইদুল ইসলাম বাপ্পির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী উম্মে জেবিন। এছাড়াও তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মাইদুল ইসলাম বাপ্পির সঙ্গে গত ২৬ মার্চ আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পূর্বে সে প্রতারণার চেষ্টা করলে আমার পরিবার তাজহাট থানায় তার নামে প্রতারণার অভিযোগ করে। সেই অভিযোগ থেকে বাঁচতে মাইদুল বিবাহ করে। বিবাহের পর থেকেই সে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, সে নিয়মিত নেশা করে এবং নেশার টাকার জন্য গায়ে হাত তোলে। বিবাহের পর থেকে এ পর্যন্ত সে কোনো কর্ম করে না। আমার দেওয়া টাকায় চলে ও নেশা করে। ছোটোখাটো যে কোনো বিষয়ে মারধর করে এবং চাপ প্রয়োগ করে যাতে পরিবার থেকে তাকে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতির বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৫ জুন) ছাত্রদল নেতা ও স্বামী মাইদুল ইসলাম বাপ্পির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী উম্মে জেবিন।
এছাড়াও তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মাইদুল ইসলাম বাপ্পির সঙ্গে গত ২৬ মার্চ আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পূর্বে সে প্রতারণার চেষ্টা করলে আমার পরিবার তাজহাট থানায় তার নামে প্রতারণার অভিযোগ করে। সেই অভিযোগ থেকে বাঁচতে মাইদুল বিবাহ করে। বিবাহের পর থেকেই সে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, সে নিয়মিত নেশা করে এবং নেশার টাকার জন্য গায়ে হাত তোলে। বিবাহের পর থেকে এ পর্যন্ত সে কোনো কর্ম করে না। আমার দেওয়া টাকায় চলে ও নেশা করে। ছোটোখাটো যে কোনো বিষয়ে মারধর করে এবং চাপ প্রয়োগ করে যাতে পরিবার থেকে তাকে টাকা এনে দেয়।
যৌতুকের টাকা না দিলে নাকি তার পরিবার মেনে নিবে না। এছাড়াও ঘরে আটকে রেখে মারধর করে এবং ভয়ভীতি দেখায় যে কাউকে এ ব্যাপারে বললে হত্যা করবে। এভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ সে নির্যাতন করে আসছে। বিভিন্ন সময়ে সে টাকা-পয়সা নিয়েছে এবং জোরপূর্বক একটি স্মার্টফোনও নিয়েছে যা সে এখন নিজের বলে দাবি করে।
অভিযুক্ত মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে তা পুরোটা মিথ্যা বরং মেয়ে তাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং কাবিনের টাকা চাচ্ছে।’
বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘অফিস ৪টা পর্যন্ত খোলা ছিল সেই সময়ে কোনো অভিযোগ পায়নি৷ আর একাডেমিক বিষয় ও ক্যাম্পাসের বিষয় কোনো অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো। কারো পারিবারিক সমস্যার অভিযোগের বিচার করা আমাদের কাজ না৷ তার জন্য আদালত রয়েছে।’
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত কমিটি গঠন করেছি৷ কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে মন্তব্য করা উচিত হবে৷ যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে সে বলেছে মেয়ের আগে বিয়ে হয়েছিল, সেটি গোপন করে তার সাথে বিয়ে করেছে৷ এটাও তো এক ধরনের প্রতারণা। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের পরে কথা বলব৷’
আজিজুর রহমান/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?