রংপুর-৪ আসনে জামানত হারাচ্ছেন জাপার প্রার্থী
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৈধ ভোটের নির্ধারিত এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় জাতীয় পার্টিরসহ সাত প্রার্থী জামানত হারাতে বসেছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পীরগাছা ও কাউনিয়ার সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, এ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ২৮ হাজার ৫০০টি। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ন্যূনতম ৪১ হাজার ৬৩ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে অনুযায়ী ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান ‘লাঙ্গল’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯৭ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবু সাহমা (‘রিকশা’) পেয়েছেন ৩৩৭ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের উজ্জ্বল চন্দ্র রায় (‘ডাব’) পেয়েছেন ৫৪০ ভোট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদীর প্রগতি বর্মণ তমা (‘কাঁচি’) পেয়েছেন ২৩১ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জয়নুল আবেদিন (‘ঘোড়া’) পেয়েছেন ১৬৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জাহিদ হোসেন (‘হাতপাখা’) পেয়েছেন ৪ হাজার ৪০৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম বাসার (‘হরিণ’) পেয়েছেন ১২২ ভোট। ফলে তা
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৈধ ভোটের নির্ধারিত এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় জাতীয় পার্টিরসহ সাত প্রার্থী জামানত হারাতে বসেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পীরগাছা ও কাউনিয়ার সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, এ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ২৮ হাজার ৫০০টি। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ন্যূনতম ৪১ হাজার ৬৩ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
সে অনুযায়ী ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান ‘লাঙ্গল’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯৭ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবু সাহমা (‘রিকশা’) পেয়েছেন ৩৩৭ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের উজ্জ্বল চন্দ্র রায় (‘ডাব’) পেয়েছেন ৫৪০ ভোট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদীর প্রগতি বর্মণ তমা (‘কাঁচি’) পেয়েছেন ২৩১ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জয়নুল আবেদিন (‘ঘোড়া’) পেয়েছেন ১৬৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জাহিদ হোসেন (‘হাতপাখা’) পেয়েছেন ৪ হাজার ৪০৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম বাসার (‘হরিণ’) পেয়েছেন ১২২ ভোট। ফলে তারা সবাই জামানত হারাবেন।
অপরদিকে, এই আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এনসিপির সদস্য সচিব ও ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী আখতার হোসেন। তিনি পেয়েছেন মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট।
উল্লেখ্য, রংপুর-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৫ হাজার ২৫৮ জন। মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬৭৭টি। এর মধ্যে বৈধ ভোট ৩ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ এবং বাতিল ভোট ৮ হাজার ১৭৭টি। ভোটের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
What's Your Reaction?