রংপুরে বসে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার ফাঁদ, ৩ প্রতারক আটক
রংপুরে ভুয়া অস্ট্রেলিয়ান ভিসা তৈরি করে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট, ভুয়া ভিসা, জাল অফার লেটারসহ প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর তাজহাট থানার কলেজ পাড়ার সিডিটি হাউজিং সোসাইটির একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। আটকরা হলেন, রংপুর নগরীর উত্তম হাজিরহাট এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে রুহানুর রহমান (২৩), নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হাজারিহাট খাতা মধুপুর গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে শফিক ইসলাম (৩১) এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলার ঘোনপাড়া বেলতলি বাজার এলাকার বাদল মিয়ার ছেলে হিমেল ইসলাম (২২)। সনাতন চক্রবর্তী বলেন, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা সহযোগী ব্যক্তিদের যোগসাজশে অস্ট্রেলিয়া যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের ফেইক ফেসবুক পেইজ খুলে বিজ্ঞাপন দিত। অসচেতন এবং প্রবাসী ব্যক্তিরা তাদের মূল টার্গে
রংপুরে ভুয়া অস্ট্রেলিয়ান ভিসা তৈরি করে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট, ভুয়া ভিসা, জাল অফার লেটারসহ প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর তাজহাট থানার কলেজ পাড়ার সিডিটি হাউজিং সোসাইটির একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।
আটকরা হলেন, রংপুর নগরীর উত্তম হাজিরহাট এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে রুহানুর রহমান (২৩), নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হাজারিহাট খাতা মধুপুর গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে শফিক ইসলাম (৩১) এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলার ঘোনপাড়া বেলতলি বাজার এলাকার বাদল মিয়ার ছেলে হিমেল ইসলাম (২২)।
সনাতন চক্রবর্তী বলেন, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা সহযোগী ব্যক্তিদের যোগসাজশে অস্ট্রেলিয়া যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের ফেইক ফেসবুক পেইজ খুলে বিজ্ঞাপন দিত। অসচেতন এবং প্রবাসী ব্যক্তিরা তাদের মূল টার্গেট ছিল। আগ্রহী ব্যক্তিদের বিশ্বাস সৃষ্টির জন্য তাদের চেয়ারের পেছনে প্যানাফ্লেক্স ব্যানার এবং সামনে টেবিল নেমপ্লেট রাখতো। আগ্রহী ব্যক্তিরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে পাসপোর্ট নিয়ে ভুয়া ভিসা পেস্টিং করে টাকা নিয়ে প্রতারণা করতো।
তিনি আরও বলেন, তাদের কাছে পাওয়া পাসপোর্টের মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তারা পাসপোর্টগুলো অস্ট্রেলিয়ান ভিসা লাগানোর জন্য দালাল বা এজেন্টদের কাছে দিয়েছিল।
এ সময় আটকদের কাছ থেকে বাংলাদেশি অরিজিনাল পাসপোর্ট ১০টি (যেগুলোতে ভুয়া অস্ট্রেলিয়ান ভিসা লাগানো আছে), অস্ট্রেলিয়ান ভুয়া পাসপোর্ট ২টি, এসএস মেটাল টেবিল নেমপ্লেট ১টি, নেমপ্লেটে ব্যবহারের জন্য ৪টি নেম ট্যাগ, ১টি ল্যাপটপ, ৪টি মোবাইল ও ৯টি ভুয়া অফার লেটারসহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান সনাতন চক্রবর্তী।
জিতু কবীর/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?