রংপুরে বেড়েছে ডিম-কাঁচামরিচের দাম
রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমসহ কিছু সবজির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডাল, মাছ-মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে এক হালি পোলট্রি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে ছিল ৩৬ টাকা। পাইকারি বাজারে দাম পড়ছে ৩৮ টাকা হালি। মুলাটোল আমতলা বাজারের খুচরা ডিম বিক্রেতা মানিক মিয়া বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় আজ ডিমের দাম হালিতে চার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় ডিমের চাহিদা বাড়ায় দাম বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে। এদিকে বাজারে প্রতিকেজি নতুন পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আমদানি করা পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ওই দামে। তবে দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। গত সপ্তাহে খুচরা বাজারে ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি টমেটোর ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, গাজরের দাম সামান্য কমে ৪০-৫০ টাকা, মুলা ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৪৫,
রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমসহ কিছু সবজির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডাল, মাছ-মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে এক হালি পোলট্রি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে ছিল ৩৬ টাকা। পাইকারি বাজারে দাম পড়ছে ৩৮ টাকা হালি।
মুলাটোল আমতলা বাজারের খুচরা ডিম বিক্রেতা মানিক মিয়া বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় আজ ডিমের দাম হালিতে চার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় ডিমের চাহিদা বাড়ায় দাম বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে।
এদিকে বাজারে প্রতিকেজি নতুন পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আমদানি করা পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ওই দামে। তবে দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। গত সপ্তাহে খুচরা বাজারে ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা।
সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি টমেটোর ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, গাজরের দাম সামান্য কমে ৪০-৫০ টাকা, মুলা ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৪৫, ফুলকপি ২০-২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা, বাঁধাকপির কেজি ২৫-২০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫-৩০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) আগের মতোই ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২০-২৫ টাকা, চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা, গোল বেগুন ৫০-৬০ টাকা, পটল ৮০-৯০ টাকা, বরবটি ৪০-৫০ টাকা, শিম ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, শসা ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, করলা আগের মতোই ৭০-৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) দাম ৩০-৪০ টাকা, লেবুর হালির ১৫-২০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ৩০-৪০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে দেশি আদা গত সপ্তাহের তুলনায় ১২০-১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০-১৫০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতোই ১০০-১২০ টাকা, আমদানি করা রসুন ২২০-২৪০টা কা, শুকনা মরিচ আগের মতো ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
শাপলা চত্বর বাজারের সবজি বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বাজারে সবজিসহ কাঁচামরিচের সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে দাম বেড়েছে।
মুরগি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৫০-১৬০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালী মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৫০-২৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫০০-৫২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু পুরাতন গত সপ্তাহের মতোই ১৫ টাকা, বাজারে আসা নতুন কার্ডিনাল আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা, সাদা নতুন আলু ১৮-২০ টাকা থেকে বেড়ে ২০-২৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫-৫০ টাকা, শিল আলু নতুন ৩০-৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬৫-৭০ টাকা, ক্যারেজ আলু নতুন ২৫-৩০ টাকা বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা এবং ঝাউ আলু নতুন বড় সাইজের ৬৫-৭০ টাকা এবং ছোট ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫-২০০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৮০-২০০ টাকা, মসুর ডাল আগের মতোই (চিকন) ১৫০-১৬০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৬০-১৮০ টাকা, বুটের ডাল ১২০-১৩০ টাকা, খোলা চিনি ১০০-১১০ টাকা থেকে বেড়ে ১১০-১২০ টাকা, ছোলাবুট ১০০-১১০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪৫-৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৭০-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
জিতু কবীর/এমএন/এএসএম
What's Your Reaction?