রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনে শপথ নেবে বিজেপি সরকার
রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ৯ মে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনে শপথ নিতে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই দিনটিকে রাজ্যে একটি ‘নতুন সূচনা’ হিসেবে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্যের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, ‘আগামী ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।’ এর আগে নির্বাচনী প্রচারের শেষ সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সম্ভাব্য সময়সূচির ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, ‘৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর আমি আবার এখানে ফিরে আসব বিজেপির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে।’ সোমবার প্রকাশিত নির্বাচনের ফলাফলকে ‘ঐতিহাসিক রায়’ উল্লেখ করেন নরেন্দ্র মোদি। নয়াদিল্লিতে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময় তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বিজেপির লক্ষ্য এমন এক বাংলা গড়ে তোলা ‘যেখানে মন থাকবে নির্ভয় এবং মাথা থাকবে উঁচু’ যা কবিগুরুর চিরন্তন ভাবনার প্রতিধ্বনি। এদিকে, ভারতের নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা আজ কলকাতায় পৌঁছা
রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ৯ মে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনে শপথ নিতে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই দিনটিকে রাজ্যে একটি ‘নতুন সূচনা’ হিসেবে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্যের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, ‘আগামী ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।’
এর আগে নির্বাচনী প্রচারের শেষ সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সম্ভাব্য সময়সূচির ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, ‘৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর আমি আবার এখানে ফিরে আসব বিজেপির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে।’
সোমবার প্রকাশিত নির্বাচনের ফলাফলকে ‘ঐতিহাসিক রায়’ উল্লেখ করেন নরেন্দ্র মোদি। নয়াদিল্লিতে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময় তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বিজেপির লক্ষ্য এমন এক বাংলা গড়ে তোলা ‘যেখানে মন থাকবে নির্ভয় এবং মাথা থাকবে উঁচু’ যা কবিগুরুর চিরন্তন ভাবনার প্রতিধ্বনি।
এদিকে, ভারতের নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা আজ কলকাতায় পৌঁছাবেন এবং আনুষ্ঠানিক গেজেট বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচকের কাছে হস্তান্তর করবেন। এরপর ৬ মে রাজ্যপালকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করা হবে।
সংবিধান অনুযায়ী, এরপর রাজ্যপাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগের আহ্বান জানাবেন। পাশাপাশি নতুন সরকার শপথ নেওয়া পর্যন্ত তাকে অন্তর্বর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানানো হতে পারে, যাতে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ সাড়ে চার দশকের বাম ও তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে। ফলে আসন্ন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
What's Your Reaction?