রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অগ্নিদগ্ধ নারীর মৃত্যু
রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শীত থেকে বাঁচতে আগুন পোহানোর সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে রমেকের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) কানিজ ফাতেমা। মারা যাওয়া ওই নারীর নাম হাজেরা বেগম (৩৫)। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারি গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় হাজেরা বেগমকে রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। টানা পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তিনি মারা যান। নিহতের স্বজনরা জানান, গত ৪ জানুয়ারি সকালে বাড়ির উঠানে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহানোর সময় হঠাৎ করে হাজেরা বেগমের পরনের পোশাকে আগুন ধরে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে রমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নারী ও শি
রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শীত থেকে বাঁচতে আগুন পোহানোর সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে রমেকের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) কানিজ ফাতেমা।
মারা যাওয়া ওই নারীর নাম হাজেরা বেগম (৩৫)। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ছিলেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারি গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় হাজেরা বেগমকে রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। টানা পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তিনি মারা যান।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত ৪ জানুয়ারি সকালে বাড়ির উঠানে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহানোর সময় হঠাৎ করে হাজেরা বেগমের পরনের পোশাকে আগুন ধরে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে রমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নারী ও শিশুসহ মোট ৫৯ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৫০ জনই আগুনে পোড়া। শীত শুরুর আগে এই ইউনিটে রোগীর সংখ্যা ছিল ৩০ থেকে ৩৫ জন। অধিকাংশ রোগী শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে চিকিৎসক, নার্স ও রোগীর স্বজনরা জানিয়েছেন।
১৪ শয্যার বার্ন ইউনিটে জায়গা সংকটের কারণে অনেক রোগীকে সার্জারি, মেডিসিনসহ বিভিন্ন বিভাগে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। বার্ন ইউনিটের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো. শাহীন শাহ বলেন, ‘গত ১০-১২ দিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে আগুনে পোড়া রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। বার্ন ইউনিটের সব শয্যা অনেক আগেই পূর্ণ হয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে রোগীদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।’
What's Your Reaction?