রশিদদের বিদেশি লিগ খেলায় লাগাম টানছে আফগান বোর্ড
বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে আফগান ক্রিকেটারদের অবাধ বিচরণে এবার লাগাম টানল আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। নতুন নীতিমালায় বোর্ড স্পষ্ট করেছে—এখন থেকে একজন আফগান ক্রিকেটার বছরে সর্বোচ্চ তিনটি বিদেশি লিগেই অংশ নিতে পারবেন। একই সঙ্গে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে খেলতে হবে বোর্ডের উদ্যোগে চালু হতে যাওয়া নতুন পাঁচ দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি–টোয়েন্টি লিগে।
কাবুলে অনুষ্ঠিত বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়। এসিবির দাবি, খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখা এবং মানসিক চাপ কমানোই এই নীতির মূল লক্ষ্য। বোর্ড মনে করছে, টানা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে অনেক ক্রিকেটারই ক্লান্তি ও চোটের ঝুঁকিতে পড়ছেন, যা জাতীয় দলের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলছে।
বোর্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে বিদেশি লিগে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত নতুন নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের পাশাপাশি এখন থেকে বছরে কেবল তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার অনুমতি দেওয়া হবে। এতে কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং জাতীয় দলের জন্য সর্বোচ্চ আউটপুট পাওয়া সম্ভব হবে।”
এই সিদ্
বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে আফগান ক্রিকেটারদের অবাধ বিচরণে এবার লাগাম টানল আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। নতুন নীতিমালায় বোর্ড স্পষ্ট করেছে—এখন থেকে একজন আফগান ক্রিকেটার বছরে সর্বোচ্চ তিনটি বিদেশি লিগেই অংশ নিতে পারবেন। একই সঙ্গে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে খেলতে হবে বোর্ডের উদ্যোগে চালু হতে যাওয়া নতুন পাঁচ দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি–টোয়েন্টি লিগে।
কাবুলে অনুষ্ঠিত বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়। এসিবির দাবি, খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখা এবং মানসিক চাপ কমানোই এই নীতির মূল লক্ষ্য। বোর্ড মনে করছে, টানা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে অনেক ক্রিকেটারই ক্লান্তি ও চোটের ঝুঁকিতে পড়ছেন, যা জাতীয় দলের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলছে।
বোর্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে বিদেশি লিগে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত নতুন নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের পাশাপাশি এখন থেকে বছরে কেবল তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার অনুমতি দেওয়া হবে। এতে কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং জাতীয় দলের জন্য সর্বোচ্চ আউটপুট পাওয়া সম্ভব হবে।”
এই সিদ্ধান্তের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন রশিদ খান। টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইতিহাসের অন্যতম সফল বোলার হিসেবে বিশ্বের প্রায় সব বড় লিগেই রশিদের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে তিনি এসএ২০–তে এমআই কেপটাউনের অধিনায়ক। এ ছাড়া ILT20–তে এমআই এমিরেটস, MLC–তে এমআই নিউইয়র্ক এবং IPL–এ Gujarat Titans–এর হয়ে নিয়মিত খেলেন তিনি।
নতুন নিয়ম কার্যকর হলে রশিদের মতো তারকা ক্রিকেটারদের লিগ বাছাইয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন লিগ খেলবেন, আর কোনটি ছাড়বেন—এই হিসাব কেবল ক্যারিয়ার নয়, আয়ের ক্ষেত্রেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
রশিদ ছাড়াও মোহাম্মদ নবী, নূর আহমদ, মুজিব উর রহমান, এএম গাজানফার ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ–এর মতো নিয়মিত ফ্র্যাঞ্চাইজি মুখগুলোকেও এই নীতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। বিশ্বজুড়ে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও অনেক লিগের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে তাদের জন্য।
তবে এমন কড়াকড়ি শুধু আফগানিস্তানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত চাপ কমাতে অন্য বোর্ডগুলোর মধ্যেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ইতোমধ্যে তাদের ক্রিকেটারদের PSL–এর বাইরে সর্বোচ্চ দুটি বিদেশি লিগে খেলার অনুমতি দিয়ে রেখেছে।
এদিকে মাঠের ক্রিকেটেও ব্যস্ত সময় অপেক্ষা করছে আফগানিস্তানের সামনে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ–এর বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে তারা। এরপরই ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে নামবে আফগান দল।