রাঙামাটিতে শ্মশানের পাশে মিলল নবজাতক
রাঙামাটির রাজস্থলীতে শ্মশানের পাশে পড়ে থাকা নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করেছে এক পথচারী।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে ছাগল খাইয়া নামক হিন্দুপাড়া শ্মশানের পাশে রক্ত মাখা অবস্থায় এই নবজাতককে পাওয়া যায়।
জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা সন্ধ্যা রানী নাথ নামে একজন মহিলা শ্মশানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শিশুটিকে দেখতে পান। পরে তিনি শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাঙ্গালহালিয়া ইউপি সদস্য শিমুল দে। তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুটি স্থানীয় বাসিন্দা প্রমোদ দে ও সন্ধ্যা রাণীর কাছে রয়েছে। তারা শিশুটির দেখভাল করছে।
তিনি বলেন, ঘটনাটি আসলে দুঃখজনক। এইভাবে একটি নবজাতক শিশু শ্মশানের পাশে পড়েছিল। তার বিপদ হতে পারত। তবে সৃষ্টিকর্তার কৃপায় নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রঘোনা থানার ওসি মো. শাকের আহমেদ জানান, এখনো পর্যন্ত নবজাতক শিশুটির মা বাবার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। শিশুটি বর্তমানে যারা উদ্ধার করেছে তাদের হেফাজতে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি রাজস্থলীর ইউএনওকে অবগত করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটির মা-বাবার খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
রাঙামাটির রাজস্থলীতে শ্মশানের পাশে পড়ে থাকা নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করেছে এক পথচারী।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে ছাগল খাইয়া নামক হিন্দুপাড়া শ্মশানের পাশে রক্ত মাখা অবস্থায় এই নবজাতককে পাওয়া যায়।
জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা সন্ধ্যা রানী নাথ নামে একজন মহিলা শ্মশানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শিশুটিকে দেখতে পান। পরে তিনি শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাঙ্গালহালিয়া ইউপি সদস্য শিমুল দে। তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুটি স্থানীয় বাসিন্দা প্রমোদ দে ও সন্ধ্যা রাণীর কাছে রয়েছে। তারা শিশুটির দেখভাল করছে।
তিনি বলেন, ঘটনাটি আসলে দুঃখজনক। এইভাবে একটি নবজাতক শিশু শ্মশানের পাশে পড়েছিল। তার বিপদ হতে পারত। তবে সৃষ্টিকর্তার কৃপায় নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রঘোনা থানার ওসি মো. শাকের আহমেদ জানান, এখনো পর্যন্ত নবজাতক শিশুটির মা বাবার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। শিশুটি বর্তমানে যারা উদ্ধার করেছে তাদের হেফাজতে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি রাজস্থলীর ইউএনওকে অবগত করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটির মা-বাবার খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।