রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি

রাঙ্গামাটিতে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় লাঠিচার্জ করে সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিনের সই করা এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া অন্য কেউ ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না। নির্ধারিত এলাকার ৪০০ গজের মধ্যে কোনো ধরনের মিছিল, সভা বা সমাবেশ করা যাবে না। শব্দ বর্ধক যন্ত্র ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ আদেশ অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার (৪ মে) বিকেল ৩টার দিকে নতুন কমিটির নেতাকর্মীদের আনন্দ মিছিলকে কেন্দ্র করে পদ পাওয়া ও পদ না পাওয়া দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে মো. ইউসুফ নামে পৌর যুবদলের এক কর্মী আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানিয়েছে, বিকেলে নতুন কমিটির নেতাকর্মীরা শহরের পৌরসভা এলাকায় আনন্দ মিছিলের জন্য জড়ো হন। অন্যদিকে পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নেন। বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিলে যোগ

রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি

রাঙ্গামাটিতে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় লাঠিচার্জ করে সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিনের সই করা এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া অন্য কেউ ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না। নির্ধারিত এলাকার ৪০০ গজের মধ্যে কোনো ধরনের মিছিল, সভা বা সমাবেশ করা যাবে না। শব্দ বর্ধক যন্ত্র ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ আদেশ অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি

সোমবার (৪ মে) বিকেল ৩টার দিকে নতুন কমিটির নেতাকর্মীদের আনন্দ মিছিলকে কেন্দ্র করে পদ পাওয়া ও পদ না পাওয়া দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে মো. ইউসুফ নামে পৌর যুবদলের এক কর্মী আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানিয়েছে, বিকেলে নতুন কমিটির নেতাকর্মীরা শহরের পৌরসভা এলাকায় আনন্দ মিছিলের জন্য জড়ো হন। অন্যদিকে পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নেন। বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিলে যোগ দিতে এলে তাদের বাধা দেওয়া হয়।

একপর্যায়ে নতুন কমিটির নেতাকর্মীরা বিএনপি কার্যালয়ের দিকে গেলে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করলে দুই পক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপর সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাঙ্গামাটি পৌরসভা, কাঠালতলী ও বনরূপা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি

ঘটনার পর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন কমিটির নেতারা। সেখানে সভাপতি মো. অলি আহাদ জানান, আংশিক কমিটির কারণে অনেকেই স্থান পাননি। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সবাইকে মূল্যায়ন করা হবে। তাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই ও সবাই একসঙ্গে কাজ করবেন।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন জানান, পৌরসভা, কাঠালতলী ও বনরূপা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সেখানে কোনো মিছিল বা সমাবেশ করা যাবে না এবং পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আবু দারদা খান আরমান/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow