রাজধানীতে জনসচেতনতা বাড়াতে ভাঙা হলো নিম্নমানের হেলমেট

রাজধানীতে সড়ক নিরাপত্তা জোরদার ও জনসচেতনতা বাড়াতে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিম্নমানের হেলমেট ভাঙা কর্মসূচি পালন করেছে ট্রাফিক গুলশান বিভাগ। এসময় অনুমোদনহীন ও অনিরাপদ প্লাস্টিকের হেলমেট ভাঙা হয়। পুলিশ জানায়, অনেক মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী শুধু আইন প্রয়োগ এড়াতে সস্তা ও অনিরাপদ প্লাস্টিকের হেলমেট ব্যবহার করেন, যা দুর্ঘটনার সময় কার্যকর সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। বরং এসব হেলমেট মাথায় গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী চালক ও আরোহীরা তাদের ব্যবহার করা অনিরাপদ হেলমেট ভেঙে ফেলেন। এসময় সড়কে নিরাপদ চলাচলের গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়। ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিজানুর রহমান শেলী বলেন, একটি মানসম্মত হেলমেট জীবন রক্ষা করতে পারে, কিন্তু ভুয়া হেলমেট জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়। তাই আইন মানা শুধু জরিমানা এড়ানোর জন্য নয়, নিজের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে অনুমোদিত ও মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করতে হবে। এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ট্রাফিক পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধার

রাজধানীতে জনসচেতনতা বাড়াতে ভাঙা হলো নিম্নমানের হেলমেট

রাজধানীতে সড়ক নিরাপত্তা জোরদার ও জনসচেতনতা বাড়াতে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিম্নমানের হেলমেট ভাঙা কর্মসূচি পালন করেছে ট্রাফিক গুলশান বিভাগ। এসময় অনুমোদনহীন ও অনিরাপদ প্লাস্টিকের হেলমেট ভাঙা হয়।

পুলিশ জানায়, অনেক মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী শুধু আইন প্রয়োগ এড়াতে সস্তা ও অনিরাপদ প্লাস্টিকের হেলমেট ব্যবহার করেন, যা দুর্ঘটনার সময় কার্যকর সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। বরং এসব হেলমেট মাথায় গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী চালক ও আরোহীরা তাদের ব্যবহার করা অনিরাপদ হেলমেট ভেঙে ফেলেন। এসময় সড়কে নিরাপদ চলাচলের গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়।

ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিজানুর রহমান শেলী বলেন, একটি মানসম্মত হেলমেট জীবন রক্ষা করতে পারে, কিন্তু ভুয়া হেলমেট জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়। তাই আইন মানা শুধু জরিমানা এড়ানোর জন্য নয়, নিজের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

তিনি জানান, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে অনুমোদিত ও মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করতে হবে। এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্রাফিক পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষও। তারা মনে করেন, নিয়মিত এ ধরনের কর্মসূচি চালু থাকলে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের হার কমানো সম্ভব।

টিটি/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow