রাজধানীতে ৩ বছরের শিশুকে অপহরণ মামলায় অভিযুক্ত কারাগারে

রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ মামলায় অভিযুক্ত আসামি জাকির হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুবুর রহমান খান জামিনের আবেদন করলেও রাষ্ট্রপক্ষ তা বিরোধিতা করে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মুগদা থানার একটি দল মান্ডার মাহিম এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল আলম তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। আদালতে উপস্থাপিত আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে শিশু অপহরণের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও অপহরণের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক আলামত রয়েছে। তিনি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। এর আগে অপহৃত শিশুটির মা সুমাইয়া আক্তার (৩৫) অজ্ঞাতপরি

রাজধানীতে ৩ বছরের শিশুকে অপহরণ মামলায় অভিযুক্ত কারাগারে

রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ মামলায় অভিযুক্ত আসামি জাকির হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।

আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুবুর রহমান খান জামিনের আবেদন করলেও রাষ্ট্রপক্ষ তা বিরোধিতা করে।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মুগদা থানার একটি দল মান্ডার মাহিম এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল আলম তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।

আদালতে উপস্থাপিত আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে শিশু অপহরণের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও অপহরণের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক আলামত রয়েছে। তিনি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

এর আগে অপহৃত শিশুটির মা সুমাইয়া আক্তার (৩৫) অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মুগদা থানায় মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সুমাইয়া আক্তার একজন গৃহিণী এবং তার স্বামী সুইজারল্যান্ড প্রবাসী। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) তিনি চিকিৎসার জন্য মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। চিকিৎসা শেষে একটি অটোরিকশায় মৌচাক মার্কেটের উদ্দেশে রওয়ানা দেন। পথে শিশুটি পানি পান করতে চাইলে সুমাইয়া আক্তার অটোরিকশায় শিশুটিকে রেখে পানি কিনতে যান। ফিরে এসে তিনি শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি। পরে তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালের গেটের সামনে থেকে অটোরিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে অভিযান চালিয়ে গাইবান্ধা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

এমডিএএ/এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow