রাজধানীর পৃথক স্থান থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর পৃথক দুই স্থান থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া জামতলা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় মার্জিয়া আক্তারের (২৫) মরদেহ। অপর দিকে, লালবাগের আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারের মৌচাক কলোনি থেকে রিনা বেগম (৪৫) নামের আরেক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহতদের মধ্যে মার্জিয়া আক্তার ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার রহিমগঞ্জ এলাকার আবু সামার মেয়ে। বর্তমানে তিনি খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়ার জামতলা কবরস্থান রোডের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। অপর দিকে, নিহত রিনা বেগম ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার করিমহাজী এলাকার প্রয়াত আলকাস আলীর মেয়ে। বর্তমানে আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারে স্বামী আব্দুল সালামের সঙ্গে থাকতেন তিনি। খিলগাঁও থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে বুধবার রাত ১১টার দিকে খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া জামতলা কবরস্থান রোডের একটি বাসা থেকে মার্জিয়া আক্তার নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাক
রাজধানীর পৃথক দুই স্থান থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া জামতলা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় মার্জিয়া আক্তারের (২৫) মরদেহ। অপর দিকে, লালবাগের আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারের মৌচাক কলোনি থেকে রিনা বেগম (৪৫) নামের আরেক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহতদের মধ্যে মার্জিয়া আক্তার ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার রহিমগঞ্জ এলাকার আবু সামার মেয়ে। বর্তমানে তিনি খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়ার জামতলা কবরস্থান রোডের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। অপর দিকে, নিহত রিনা বেগম ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার করিমহাজী এলাকার প্রয়াত আলকাস আলীর মেয়ে। বর্তমানে আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারে স্বামী আব্দুল সালামের সঙ্গে থাকতেন তিনি।
খিলগাঁও থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে বুধবার রাত ১১টার দিকে খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া জামতলা কবরস্থান রোডের একটি বাসা থেকে মার্জিয়া আক্তার নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে এসআই মো. ফখরুল আরও জানান, পারিবারিক কলহের জেরে নিজ রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নেন মার্জিয়া। পরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এই বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
লালবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, খবর পেয়ে আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারের মৌচাক কলোনি পানির পাম্পের পাশের একটি টিনসেড বাসা থেকে রিনা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ।
এসআই বেলায়েত আরও জানান, নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, রিনা বেগমের স্বামী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এরই জেরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন রিনা। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
কাজী আল আমিন/এমএমকে
What's Your Reaction?