রাজধানীর ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক

রাজধানীর সাতটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য কিউআর কোডভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জ্বালানি তেল বিতরণে স্বচ্ছতা আনা ও ভোগান্তি কমাতে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। রোববার (১৩ এপ্রিল) থেকে এ সিস্টেম কার্যকর হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর উদ্যোগে চালু হওয়া এই ডিজিটাল ব্যবস্থা ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। শুরুতে দুটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলেও আরও পাঁচটি স্টেশন যুক্ত হয়। এতে এখন রাজধানীর মোট সাতটি স্টেশনে এ সেবা চালু হয়েছে। বর্তমানে যেসব স্টেশনে এই ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে, সেগুলো হলো তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, আসাদগেটের সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশন। এসব পাম্পে মোটরসাইকেল চালকেরা এখন কেবল ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ব্যবহার করেই পেট্রল ও অকটেন নিতে পারবেন। নতুন এই ব্যবস্থায় কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণ করা হবে। এতে একজন গ্রাহক নির্ধা

রাজধানীর ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক

রাজধানীর সাতটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য কিউআর কোডভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জ্বালানি তেল বিতরণে স্বচ্ছতা আনা ও ভোগান্তি কমাতে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

রোববার (১৩ এপ্রিল) থেকে এ সিস্টেম কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর উদ্যোগে চালু হওয়া এই ডিজিটাল ব্যবস্থা ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। শুরুতে দুটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলেও আরও পাঁচটি স্টেশন যুক্ত হয়। এতে এখন রাজধানীর মোট সাতটি স্টেশনে এ সেবা চালু হয়েছে।

বর্তমানে যেসব স্টেশনে এই ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে, সেগুলো হলো তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, আসাদগেটের সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশন।

এসব পাম্পে মোটরসাইকেল চালকেরা এখন কেবল ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ব্যবহার করেই পেট্রল ও অকটেন নিতে পারবেন।

নতুন এই ব্যবস্থায় কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণ করা হবে। এতে একজন গ্রাহক নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী তেল নিতে পারবেন। ফিলিং স্টেশনগুলোতেও ডিজিটাল এন্ট্রি সম্পন্ন করার পরই জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।

এই অ্যাপের সঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ যুক্ত থাকবে। ফলে যানবাহনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে। যাদের স্মার্টফোন নেই, তারাও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করে কিউআর কোড ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow