রাজনীতিবিদ নয়, সাংবাদিক হতে চাই: অনন্ত জলিল

উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক ও ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, অর্থনীতি এবং নিজের ভবিষ্যৎ চরিত্র ভাবনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। রাজনীতিবিদ নয়, সাংবাদিক হতে চান অনন্ত সিনেমায় রাজনীতিবীদের চরিত্রে অভিনয় করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অনন্ত সাফ জানিয়ে দেন, “আমাকে যদি কোনো পলিটিক্যাল ক্যারেক্টার দেওয়া হয়, আমি তা করব না। আমি বরং সাংবাদিকের চরিত্র বেছে নেব। কারণ, সাংবাদিক হচ্ছে দেশের একমাত্র অস্ত্র, যারা ভালো এবং খারাপ—দুটোই তুলে ধরতে পারে।” আগে বনাম এখন ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে অনন্ত বলেন, “আগে ভোট দিতে এলে দেখতাম প্রতিটি দলের লোক ভিড় করে থাকত, পোলিং অফিসারের খুব কাছে দাঁড়িয়ে দেখত কে কাকে ভোট দিচ্ছে। সেই স্বাধীনতাটা তখন ছিল না। কিন্তু এবার দেখলাম অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশ। নিরাপত্তা কর্মী ও পোলিং অফিসার ছাড়া কেউ নেই। ভোটাররা সুন্দরভাবে ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছেন।” নতুন প্রজন

রাজনীতিবিদ নয়, সাংবাদিক হতে চাই: অনন্ত জলিল
উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক ও ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, অর্থনীতি এবং নিজের ভবিষ্যৎ চরিত্র ভাবনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। রাজনীতিবিদ নয়, সাংবাদিক হতে চান অনন্ত সিনেমায় রাজনীতিবীদের চরিত্রে অভিনয় করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অনন্ত সাফ জানিয়ে দেন, “আমাকে যদি কোনো পলিটিক্যাল ক্যারেক্টার দেওয়া হয়, আমি তা করব না। আমি বরং সাংবাদিকের চরিত্র বেছে নেব। কারণ, সাংবাদিক হচ্ছে দেশের একমাত্র অস্ত্র, যারা ভালো এবং খারাপ—দুটোই তুলে ধরতে পারে।” আগে বনাম এখন ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে অনন্ত বলেন, “আগে ভোট দিতে এলে দেখতাম প্রতিটি দলের লোক ভিড় করে থাকত, পোলিং অফিসারের খুব কাছে দাঁড়িয়ে দেখত কে কাকে ভোট দিচ্ছে। সেই স্বাধীনতাটা তখন ছিল না। কিন্তু এবার দেখলাম অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশ। নিরাপত্তা কর্মী ও পোলিং অফিসার ছাড়া কেউ নেই। ভোটাররা সুন্দরভাবে ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছেন।” নতুন প্রজন্মের প্রতি বার্তা তরুণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে এই নায়কের পরামর্শ, “দল দেখে নয়, ক্যান্ডিডেট দেখে ভোট দিন। যে প্রার্থী যোগ্য এবং দেশ ভালো চালাতে পারবে, তাকেই বেছে নিন। আমি এই দলের বা ওই দলের—এসব দেখার এখন সময় নেই, এখন দেশ গড়ার সময়।” একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে অনন্ত জলিল নতুন সরকারের কাছে অর্থনীতির চাকা সচল রাখার দাবি জানান। নিজস্ব ঢঙে তিনি বলেন, “আপনার পকেটে যদি টাকা থাকে, আপনি ১০ টাকার জিনিস ১২ টাকা দিয়েও কিনতে পারবেন। কিন্তু পকেটে টাকা না থাকলে ১০ টাকার জিনিস ৮ টাকা হলেও কিনবেন কীভাবে? তাই বিজনেস সেক্টরকে ভ্যালু দিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, কথায় কথায় রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন বা অবরোধের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, কারণ এতে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে অনন্ত বলেন, “ভোটের আগে আপনারা যেভাবে মানুষের দরজায় দরজায় যান, ভোটের পরেও যেন তা ভুলে না যান। নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠন করতে হবে। দেখতে হবে এলাকায় চাঁদাবাজি, লুটতরাজ বা মেয়েদের উত্যক্ত করার মতো ঘটনা ঘটছে কি না। এমপিদের কাজ হবে সেসব নির্মূল করে দেশের পরিস্থিতি ভালো রাখা।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow