রাজনৈতিক প্রশ্রয় না পেলে সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব থাকত না: জামায়াতের আমির
দলীয় ও রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পেলে দেশে সিন্ডিকেটের কোনো অস্তিত্ব থাকত না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের পুরোনো কাচারি এলাকায় জেলা জামায়াত আয়োজিত বার্ষিক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দলীয় ও রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পেলে দেশে সিন্ডিকেটের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। ক্ষমতাসীন দলের লোকেরাই মূলত সিন্ডিকেট তৈরি করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে সরকার কর কমানোর পরও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এক টাকাও কমছে না।
তিনি বলেন, এবারের বাজেটে প্রায় ৫৪টি পণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে। কিন্তু বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। এর মূল কারণ সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডিকেটের পেছনে সরকারদলীয় ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
বাজেটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াতের আমির বলেন, বাজেটে অনেক কর ছাড় দেওয়া হলো, কিন্তু সাধারণ মানুষ যদি এর সুফল ভোগ করতে না পারে, তাহলে এই বাজেটের ইতিবাচক দিক কোথায়?
জেলা জামায়াতের আমির আ. জ. ম. রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি ফখর
দলীয় ও রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পেলে দেশে সিন্ডিকেটের কোনো অস্তিত্ব থাকত না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের পুরোনো কাচারি এলাকায় জেলা জামায়াত আয়োজিত বার্ষিক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দলীয় ও রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পেলে দেশে সিন্ডিকেটের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। ক্ষমতাসীন দলের লোকেরাই মূলত সিন্ডিকেট তৈরি করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে সরকার কর কমানোর পরও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এক টাকাও কমছে না।
তিনি বলেন, এবারের বাজেটে প্রায় ৫৪টি পণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে। কিন্তু বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। এর মূল কারণ সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডিকেটের পেছনে সরকারদলীয় ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
বাজেটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াতের আমির বলেন, বাজেটে অনেক কর ছাড় দেওয়া হলো, কিন্তু সাধারণ মানুষ যদি এর সুফল ভোগ করতে না পারে, তাহলে এই বাজেটের ইতিবাচক দিক কোথায়?
জেলা জামায়াতের আমির আ. জ. ম. রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি ফখরুদ্দিন রাজির সঞ্চালনায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চল পরিচালক ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। সম্মেলনে জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক রুকন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।