রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের গণবিজ্ঞপ্তি, আবেদনের সময়সীমা ১৫ এপ্রিল
কক্সবাজার জেলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত দায়েরকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রত্যাহারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক এমএ মান্নান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারে ইতোমধ্যে একটি জেলা কমিটি গঠন করেছে। কক্সবাজার জেলায় যারা এ ধরনের মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের চলতি মাসের ১৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদনপত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহার এবং চার্জশিটের সার্টিফাইড কপি যুক্ত করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর দাখিল করতে হবে। উল্লেখ্য, ৫ এপ্রিল স্বাক্ষর করা গণবিজ্ঞপ্তিটি ৭ এপ্রিল জেলা প্রশাসকের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে আপলোড করা হয়। ৮ এপ্রিল রাত থেকে তা সবার নজরে আসে। সায়ীদ আলমগীর/কেএইচকে/জেআইএম
কক্সবাজার জেলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত দায়েরকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রত্যাহারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক এমএ মান্নান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারে ইতোমধ্যে একটি জেলা কমিটি গঠন করেছে। কক্সবাজার জেলায় যারা এ ধরনের মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের চলতি মাসের ১৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদনপত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহার এবং চার্জশিটের সার্টিফাইড কপি যুক্ত করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর দাখিল করতে হবে।
উল্লেখ্য, ৫ এপ্রিল স্বাক্ষর করা গণবিজ্ঞপ্তিটি ৭ এপ্রিল জেলা প্রশাসকের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে আপলোড করা হয়। ৮ এপ্রিল রাত থেকে তা সবার নজরে আসে।
সায়ীদ আলমগীর/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?