রাজশাহীতে অটোরিকশা চালক হত্যা, মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ৮

রাজশাহী মহানগরীর দামকুড়ায় অটোরিকশা চালক মামুনুর রশিদ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারীসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। জানা যায়, মামলা দায়েরের পর ডিবি পুলিশ তদন্তে নেমে প্রথমে চার আসামিকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন—মো. তানভীর রানা প্রান্ত (২২), মো. শামীম (৩৫), মো. রাব্বি (২০) এবং নূর আলম (২৫)। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার ও আজ বুধবার টানা অভিযান চালিয়ে মূল পরিকল্পনাকারীসহ আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন—ওমর ফারুক বাবু (৪৩), মো. সেলিম (৩৫), মো. সুজন (৩৬) এবং রাহেনুল হক (৪৫)। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের হেফাজত থেকে ছিনতাই করা অটোরিকশা, চারটি ব্যাটারি এবং ব্যাটারি খোলার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২ মে বিকেলে মামুনুর রশিদ প্রতিদিনের মতো ভাড়ায় চালানোর জন্য অটোরিকশা নিয়ে গ্যারেজ থেকে বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন ৩ মে সকালে

রাজশাহীতে অটোরিকশা চালক হত্যা, মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ৮

রাজশাহী মহানগরীর দামকুড়ায় অটোরিকশা চালক মামুনুর রশিদ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারীসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা যায়, মামলা দায়েরের পর ডিবি পুলিশ তদন্তে নেমে প্রথমে চার আসামিকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন—মো. তানভীর রানা প্রান্ত (২২), মো. শামীম (৩৫), মো. রাব্বি (২০) এবং নূর আলম (২৫)।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার ও আজ বুধবার টানা অভিযান চালিয়ে মূল পরিকল্পনাকারীসহ আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন—ওমর ফারুক বাবু (৪৩), মো. সেলিম (৩৫), মো. সুজন (৩৬) এবং রাহেনুল হক (৪৫)। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের হেফাজত থেকে ছিনতাই করা অটোরিকশা, চারটি ব্যাটারি এবং ব্যাটারি খোলার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২ মে বিকেলে মামুনুর রশিদ প্রতিদিনের মতো ভাড়ায় চালানোর জন্য অটোরিকশা নিয়ে গ্যারেজ থেকে বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন ৩ মে সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বরে কল পেয়ে দামকুড়া থানার জোতরাবোন উত্তরপাড়া এলাকার রাস্তার পাশ থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পিবিআই আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে। এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাবুল বাদী হয়ে দামকুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরএমপির উপ-কমিশনার গাজিউর রহমান জানান, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ২ মে কোর্ট স্টেশন থেকে কাশিয়াডাঙ্গা বাজারে যাওয়ার কথা বলে মামুনুরের অটোরিকশাটি ভাড়া করে। পরে কাশিয়াডাঙ্গা মোড়ের একটি চায়ের দোকানে চায়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে তাকে খাওয়ানো হয়। অটোরিকশাটি দামকুড়া থানার জোতরাবোন এলাকায় পৌঁছালে মামুনুর জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তখন আসামিরা তাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়। চেতনানাশকের প্রতিক্রিয়ায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

মনির হোসেন মাহিন/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow