রাজশাহীতে তুচ্ছ ঘটনায় ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যা

রাজশাহীত তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকালে মোহনপুর উপজেলায় বেলগাছি পূর্বপাড়া এলাকায় পাঠক ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. আলম (৪৪) বেলগাছি গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. আশরাফের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মজিবর চলন্ত একটি ভ্যান থামানোর জন্য সংকেত দেন। তবে ভ্যানচালক আলম কিছুটা সামনে গিয়ে ভ্যান থামান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবর ইট দিয়ে আলমের মাথার পেছনে কয়েকটি আঘাত করেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আলম ভ্যান থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্ত মজিবরকে পাঠক ক্লাবে আটক করে রাখে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নিতে গেলে উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে। মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, স্থানীয়রা অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। তিনি সুস্থ হলে তাকে গ্রেফতার করা হবে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহ

রাজশাহীতে তুচ্ছ ঘটনায় ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যা

রাজশাহীত তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকালে মোহনপুর উপজেলায় বেলগাছি পূর্বপাড়া এলাকায় পাঠক ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. আলম (৪৪) বেলগাছি গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. আশরাফের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মজিবর চলন্ত একটি ভ্যান থামানোর জন্য সংকেত দেন। তবে ভ্যানচালক আলম কিছুটা সামনে গিয়ে ভ্যান থামান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবর ইট দিয়ে আলমের মাথার পেছনে কয়েকটি আঘাত করেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আলম ভ্যান থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্ত মজিবরকে পাঠক ক্লাবে আটক করে রাখে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নিতে গেলে উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, স্থানীয়রা অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। তিনি সুস্থ হলে তাকে গ্রেফতার করা হবে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাখাওয়াত হোসেন/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow