রাজস্ব আদায়ে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিসে আবারো রেকর্ড

ডিসেম্বর মাসের রেকর্ড ভেঙ্গে এক মাসে রাজস্ব আদায়ে জানুয়ারী মাসে আবারো রেকর্ড গড়েছে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিস। জানুয়ারী মাসে ৭৬২টি মামলার বিপরীতে ৪১ লাখ টাকার অধিক রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। এরআগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ৫৭৫টি মামলার বিপরীতে ৩০ লাখের অধিক টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছিল। ট্রাফিক আইন অমান্য করে গাড়ি চালানো এবং সঠিক কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় যানবাহনের মালিক ও শ্রমিকদের কাছ থেকে এই জরিমানার টাকা আদায় করা হয়। সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিসের পরিদর্শক মোফাকখারুল ইসলাম বলেন, রেজিষ্টেশন ও বৈধ কাগজপত্র বিহীন মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক ও সিএনজি চালানো এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করে যানবাহন চালানোয় জানুয়ারী মাসে অনলাইনে ৭৬২টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার বিপরীতে অনলাইনে ইউএস ক্যাশের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪১ লাখ ৫৬ হাজার ৪০০ টাকা। এই রাজস্ব আদায় সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিসের রেকর্ড। এর আগে এই অফিসে এক মাসে কখনও এতো টাকা রাজস্ব আদায় হয়নি। পরিদর্শক মোফাকখারুল আরো বলেন, জানুয়ারী মাসে রেজিষ্টেশন বিহীন ২১৬টি মোটরসাইকেল আটকের পর মালিকরা বিআরটিএ অফিসে টাকা জমা দেওয়ার পর তা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বিআরটিএ অফিস প্রতিট

রাজস্ব আদায়ে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিসে আবারো রেকর্ড

ডিসেম্বর মাসের রেকর্ড ভেঙ্গে এক মাসে রাজস্ব আদায়ে জানুয়ারী মাসে আবারো রেকর্ড গড়েছে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিস। জানুয়ারী মাসে ৭৬২টি মামলার বিপরীতে ৪১ লাখ টাকার অধিক রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। এরআগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ৫৭৫টি মামলার বিপরীতে ৩০ লাখের অধিক টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছিল। ট্রাফিক আইন অমান্য করে গাড়ি চালানো এবং সঠিক কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় যানবাহনের মালিক ও শ্রমিকদের কাছ থেকে এই জরিমানার টাকা আদায় করা হয়।

সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিসের পরিদর্শক মোফাকখারুল ইসলাম বলেন, রেজিষ্টেশন ও বৈধ কাগজপত্র বিহীন মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক ও সিএনজি চালানো এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করে যানবাহন চালানোয় জানুয়ারী মাসে অনলাইনে ৭৬২টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার বিপরীতে অনলাইনে ইউএস ক্যাশের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪১ লাখ ৫৬ হাজার ৪০০ টাকা। এই রাজস্ব আদায় সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিসের রেকর্ড। এর আগে এই অফিসে এক মাসে কখনও এতো টাকা রাজস্ব আদায় হয়নি।

পরিদর্শক মোফাকখারুল আরো বলেন, জানুয়ারী মাসে রেজিষ্টেশন বিহীন ২১৬টি মোটরসাইকেল আটকের পর মালিকরা বিআরটিএ অফিসে টাকা জমা দেওয়ার পর তা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বিআরটিএ অফিস প্রতিটি মোটরসাইকেল থেকে নি¤েœ ১৫ হাজার করে টাকা রাজস্ব পেয়েছে। একই কারনে সিরাজগঞ্জ সদর থানাসহ বিভিন্ন থানা হেফাজতে অন্তত: ৭৬টি রেজিষ্টেশন বিহীন মোটরসাইকেল আটকে রাখা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow