রাজ্যসভা ছাড়তেই কোয়েলকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন

টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কয়েক দিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সাংসদ পদ ছাড়েন তিনি। তবে পদত্যাগের পরই তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, বুধবার বিকেল পর্যন্ত রাজ্যসভার সরকারি ওয়েবসাইটে সাংসদদের তালিকায় কোয়েল মল্লিকের নাম ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে তিনি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন। এরপরই নয়াদিল্লির মতিলাল নেহরু রোডে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান কোয়েল। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় নানা আলোচনা। অনেকের ধারণা, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টেনে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন অভিনেত্রী। যদিও এ বিষয়ে কোয়েল কিংবা বিজেপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। জানা গেছে, সম্প্রতি বড় ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিদেশে ছিলেন কোয়েল। সে কারণেই পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লেগেছে বলে আলোচনা রয়েছে। রাজনীত

রাজ্যসভা ছাড়তেই কোয়েলকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন

টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কয়েক দিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সাংসদ পদ ছাড়েন তিনি। তবে পদত্যাগের পরই তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, বুধবার বিকেল পর্যন্ত রাজ্যসভার সরকারি ওয়েবসাইটে সাংসদদের তালিকায় কোয়েল মল্লিকের নাম ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে তিনি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন।

এরপরই নয়াদিল্লির মতিলাল নেহরু রোডে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান কোয়েল। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় নানা আলোচনা। অনেকের ধারণা, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টেনে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন অভিনেত্রী। যদিও এ বিষয়ে কোয়েল কিংবা বিজেপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

জানা গেছে, সম্প্রতি বড় ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিদেশে ছিলেন কোয়েল। সে কারণেই পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লেগেছে বলে আলোচনা রয়েছে।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে কোয়েল মল্লিককে কখনো প্রকাশ্যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি। তাই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই ছিল বিস্ময়কর।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই তালিকায় ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সাবেক মহাপরিচালক রাজীব কুমার এবং অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক।

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার কয়েক দিন আগে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের বাসায় যান। পরে এপ্রিল মাসে দিল্লিতে গিয়ে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন কোয়েল।

শপথ গ্রহণের পর কোয়েল বলেছিলেন, দেশের সেবা এবং মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়াকে তিনি সৌভাগ্য মনে করেন। এটি তার কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

সে সময় মেয়ের রাজনৈতিক যাত্রা নিয়ে অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকও সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল পরিণত ও দায়িত্বশীল। সৎ পথে থেকে মানুষের জন্য ভালো কাজ করুক- একজন বাবা হিসেবে এটাই তার প্রত্যাশা।

তবে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে রাজ্যসভার সদস্যপদ ছেড়ে দেওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। কোয়েল মল্লিক কি বিজেপিতে যোগ দেবেন, নাকি সক্রিয় রাজনীতি থেকেই নিজেকে সরিয়ে নেবেন- সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। এখন রাজনৈতিক মহলের নজর সেদিকেই।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow