রাতের আঁধারে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় মাসুদ নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ি এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মাসুদ (৪৮) কুইজবাড়ি এলাকার লাল মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন মাসুদ। তবে গভীর রাত হলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রোববার সকালে বাড়ি ও দোকানের মাঝামাঝি রাস্তার পাশে তার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ভিক্টর ব্যানার্জি জানান, নিহতের মাথার পেছনে ও কানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ি ফেরার পথে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়।
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠান
টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় মাসুদ নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ি এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মাসুদ (৪৮) কুইজবাড়ি এলাকার লাল মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন মাসুদ। তবে গভীর রাত হলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রোববার সকালে বাড়ি ও দোকানের মাঝামাঝি রাস্তার পাশে তার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ভিক্টর ব্যানার্জি জানান, নিহতের মাথার পেছনে ও কানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ি ফেরার পথে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়।
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।