রাবি ছাত্র-উপদেষ্টার পদত্যাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম (কনক) পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর দেওয়া এক পত্রে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পত্র জমা দেন। পদত্যাগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে অ্যাকাডেমিক ও গবেষণামূলক কাজের ব্যস্ততার কারণে বর্তমানে তার পক্ষে এ দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। পদত্যাগের বিষয়ে অধ্যাপক কনক বলেন, ‘গতকাল আমাদের একজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও মানসিক সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসত। একজন শিক্ষার্থীর এমন মৃত্যু আমাকে মানসিকভাবে ভীষণভাবে আঘাত করেছে। পাশাপাশি অ্যাকাডেমিক ও গবেষণার কাজের চাপও রয়েছে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, ‘তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জেনেছি। পদত্যাগপত্র হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’ উল্লেখ্য, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি মেসে গলায় ফাঁস দিয়ে এক শ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম (কনক) পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর দেওয়া এক পত্রে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
পদত্যাগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে অ্যাকাডেমিক ও গবেষণামূলক কাজের ব্যস্ততার কারণে বর্তমানে তার পক্ষে এ দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।
পদত্যাগের বিষয়ে অধ্যাপক কনক বলেন, ‘গতকাল আমাদের একজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও মানসিক সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসত। একজন শিক্ষার্থীর এমন মৃত্যু আমাকে মানসিকভাবে ভীষণভাবে আঘাত করেছে। পাশাপাশি অ্যাকাডেমিক ও গবেষণার কাজের চাপও রয়েছে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, ‘তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জেনেছি। পদত্যাগপত্র হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’
উল্লেখ্য, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি মেসে গলায় ফাঁস দিয়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
What's Your Reaction?