রামুতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ

কক্সবাজারের রামুর ঈদগড়ে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঈদগড়ের গহিন পাহাড়ে আবু আহম্মদ ঘোনা ফাতেমা ছড়া দুর্গম এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। উদ্ধার মালামালের মধ্যে রয়েছে দুটি তাজা রাইফেলের গুলি, চারটি শটগানের খালি খোসা, দুটি বন্দুকের বাট, তিনটি বন্দুকের ট্রিগার বক্স, বন্দুকের নল হিসেবে ব্যবহৃত ছয়টি পাইপ, তিনটি বন্দুক তৈরির উপকরণ, একটি হাওয়ার মেশিন, দুটি বাটাল, পাঁচটি আড়ি ব্লেড ও একটি আড়ি ব্লেডের ফ্রেম, একটি করাত, একটি হাতুড়ি, একটি প্লাস, সাতটি ছোট-বড় রেক, একটি শান দেওয়ার মেশিন, একটি বানাো নালীসহ অসংখ্য অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জেলা পুলিশের ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস জানান, একদল অপরাধী ওই গহিন পাহাড়ে অবস্থান নিয়ে দেশীয় অস্ত্র তৈরি করছে বলে খবর ছিল। পরে পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানের নির্দেশনায় এবং রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার তত্

রামুতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ

কক্সবাজারের রামুর ঈদগড়ে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঈদগড়ের গহিন পাহাড়ে আবু আহম্মদ ঘোনা ফাতেমা ছড়া দুর্গম এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।

উদ্ধার মালামালের মধ্যে রয়েছে দুটি তাজা রাইফেলের গুলি, চারটি শটগানের খালি খোসা, দুটি বন্দুকের বাট, তিনটি বন্দুকের ট্রিগার বক্স, বন্দুকের নল হিসেবে ব্যবহৃত ছয়টি পাইপ, তিনটি বন্দুক তৈরির উপকরণ, একটি হাওয়ার মেশিন, দুটি বাটাল, পাঁচটি আড়ি ব্লেড ও একটি আড়ি ব্লেডের ফ্রেম, একটি করাত, একটি হাতুড়ি, একটি প্লাস, সাতটি ছোট-বড় রেক, একটি শান দেওয়ার মেশিন, একটি বানাো নালীসহ অসংখ্য অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রামুতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ

জেলা পুলিশের ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস জানান, একদল অপরাধী ওই গহিন পাহাড়ে অবস্থান নিয়ে দেশীয় অস্ত্র তৈরি করছে বলে খবর ছিল। পরে পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানের নির্দেশনায় এবং রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। রামু থানা ও ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্পের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মিলন বড়ুয়া, রবিউল ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্স। সোমবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে লক্ষ্যস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করেন তারা।

অভিযানস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৩-৪ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তবে পুলিশ সেখান থেকে অস্ত্র তৈরির একটি বড় ভান্ডার জব্দ করে।

রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হলেও জড়িতদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow