রাশিয়ায় রেকর্ডভাঙা তুষারপাত, বরফে ঢেকে গেছে শহর

রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে গত ১৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভয়াবহ এ তুষারঝড়ে পুরো অঞ্চল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। শহর ও জনপদ বরফে ঢেকে গেছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, কামচাটকার বিভিন্ন শহরে ১০-৪০ ফুট পর্যন্ত বরফ জমেছে। কোথাও কোথাও বহুতল ভবনের চারতলা পর্যন্ত বরফে ঢেকে গেছে। ভারী তুষারের চাপ ও তুষারধসে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কামচাটকার প্রশাসনিক কেন্দ্র পেত্রোপাভলোভস্ক-কামচাটস্কিতে গত ১৫ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন মেয়র ইয়েভগেনি বেলিয়ায়েভ। তিনি অভিযোগ করেন, সময়মতো ভবনের ছাদ থেকে বরফ না সরানোর কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। প্রচণ্ড তুষারপাতের কারণে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে, বাতিল হয়েছে বহু ফ্লাইট। বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। স্কুল, অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মানুষ ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে এবং অনেকেই দূর থেকে কাজ করছেন। বরফে ঢাকা সড়কের কারণে দোকানগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় রুটি, দুধ ও ডিমের মতো খাদ্যসামগ্রী দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছে

রাশিয়ায় রেকর্ডভাঙা তুষারপাত, বরফে ঢেকে গেছে শহর

রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে গত ১৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভয়াবহ এ তুষারঝড়ে পুরো অঞ্চল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। শহর ও জনপদ বরফে ঢেকে গেছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, কামচাটকার বিভিন্ন শহরে ১০-৪০ ফুট পর্যন্ত বরফ জমেছে। কোথাও কোথাও বহুতল ভবনের চারতলা পর্যন্ত বরফে ঢেকে গেছে। ভারী তুষারের চাপ ও তুষারধসে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কামচাটকার প্রশাসনিক কেন্দ্র পেত্রোপাভলোভস্ক-কামচাটস্কিতে গত ১৫ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন মেয়র ইয়েভগেনি বেলিয়ায়েভ। তিনি অভিযোগ করেন, সময়মতো ভবনের ছাদ থেকে বরফ না সরানোর কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে।

প্রচণ্ড তুষারপাতের কারণে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে, বাতিল হয়েছে বহু ফ্লাইট। বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। স্কুল, অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মানুষ ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে এবং অনেকেই দূর থেকে কাজ করছেন।

বরফে ঢাকা সড়কের কারণে দোকানগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় রুটি, দুধ ও ডিমের মতো খাদ্যসামগ্রী দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ওখোৎস্ক সাগরে একাধিক নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে প্রবল বাতাস ও টানা তুষারপাত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কামচাটকা অঞ্চল সাধারণত তীব্র শীত ও আগ্নেয়গিরির জন্য পরিচিত হলেও এবারের তুষারপাত আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা একে ‘তুষার বিপর্যয়’ বলে অভিহিত করছেন। সূত্র : এশিয়ান মেইল

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow