রিকশাচালক ও পুলিশের রাতভর সংঘর্ষ, জানা গেল আসল কারণ

রাজধানীর উত্তরায় এক রিকশাচালককে পেটানোর অভিযোগে শপিং কমপ্লেক্স ঘেরাও করেছে বিক্ষুব্ধ রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা। এ সময় ভবনের সামনের সড়ক অবরোধ করে হট্টগোল শুরু করে তারা।  পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে বিক্ষুব্ধরা পুলিশের ওপর ইট-পাটিকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। রোববার (১৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া ধাওয়া-পালটা ধাওয়া চলতে থাকে রাত ৪টা পর্যন্ত। উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্কয়ার নামের একটি বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের নিরাপত্তা প্রহরীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের বাকবিতণ্ডা ও পরে মারামারিতে রূপ নেয়। বিষয়টি দ্রুত অন্যান্য রিকশাচালকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধের পাশাপাশি ভবনে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরে নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত না করার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর এক পক্ষের সঙ্গে আরেক পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে বিক্ষুব্ধরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড গ্

রিকশাচালক ও পুলিশের রাতভর সংঘর্ষ, জানা গেল আসল কারণ

রাজধানীর উত্তরায় এক রিকশাচালককে পেটানোর অভিযোগে শপিং কমপ্লেক্স ঘেরাও করেছে বিক্ষুব্ধ রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা। এ সময় ভবনের সামনের সড়ক অবরোধ করে হট্টগোল শুরু করে তারা। 

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে বিক্ষুব্ধরা পুলিশের ওপর ইট-পাটিকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। রোববার (১৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া ধাওয়া-পালটা ধাওয়া চলতে থাকে রাত ৪টা পর্যন্ত। উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্কয়ার নামের একটি বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের নিরাপত্তা প্রহরীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের বাকবিতণ্ডা ও পরে মারামারিতে রূপ নেয়। বিষয়টি দ্রুত অন্যান্য রিকশাচালকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধের পাশাপাশি ভবনে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরে নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত না করার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এরপর এক পক্ষের সঙ্গে আরেক পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে বিক্ষুব্ধরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আহত রিকশাচালককে ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয় বলে গুজব ছড়ায়। এতে উপস্থিত জনতা আরও বিক্ষুব্ধ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে।

এ বিষয়ে  উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাবের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow