রিহ্যাব নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে, কে হচ্ছেন আবাসন ব্যবসায়ীদের নেতা?
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচন ঘিরে আবাসন খাতে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসবমুখর পরিবেশ। ২৯টি পদের বিপরীতে ৭৭ জন প্রার্থীর লড়াইয়ে কে হচ্ছেন নতুন নেতা, সেদিকেই এখন তাকিয়ে সংশ্লিষ্টরা। এবারের নির্বাচনে সভাপতি, ৬ জন সহ-সভাপতি ও ১৯ জন পরিচালকসহ মোট ২৯টি পদে ভোট হচ্ছে। নির্বাচনে মোট ভোটার রয়েছেন ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ জন এবং চট্টগ্রামের ৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। নির্বাচনে তিনটি প্যানেলকে ঘিরে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে। এগুলো হলো— আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ এবং জাগরণ প্যানেল। পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছে ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল প্যানেল। অন্যদিকে জাগরণ প্যানেল অংশ নিচ্ছে আংশিকভাবে। এছাড়া সভাপতি ও পরিচালক পদে রয়েছেন কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যা নির্বাচনের প্রতিযোগিতা আরও বাড়িয়েছে। আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরি
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচন ঘিরে আবাসন খাতে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসবমুখর পরিবেশ। ২৯টি পদের বিপরীতে ৭৭ জন প্রার্থীর লড়াইয়ে কে হচ্ছেন নতুন নেতা, সেদিকেই এখন তাকিয়ে সংশ্লিষ্টরা।
এবারের নির্বাচনে সভাপতি, ৬ জন সহ-সভাপতি ও ১৯ জন পরিচালকসহ মোট ২৯টি পদে ভোট হচ্ছে। নির্বাচনে মোট ভোটার রয়েছেন ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ জন এবং চট্টগ্রামের ৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।
নির্বাচনে তিনটি প্যানেলকে ঘিরে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে। এগুলো হলো— আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ এবং জাগরণ প্যানেল। পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছে ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল প্যানেল। অন্যদিকে জাগরণ প্যানেল অংশ নিচ্ছে আংশিকভাবে। এছাড়া সভাপতি ও পরিচালক পদে রয়েছেন কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যা নির্বাচনের প্রতিযোগিতা আরও বাড়িয়েছে।
আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান। প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ থেকে সভাপতি পদে লড়ছেন গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টসের চেয়ারম্যান মো. আলী আফজাল। আর জাগরণ প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন ক্যাপিটাল ল্যান্ড ডেভেলপমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংগঠনটির সাবেক সভাপতি মোকাররম হোসেন খান।
ভোটকেন্দ্র ঘিরে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীরাও শেষ মুহূর্তে ভোটারদের সমর্থন পেতে কেন্দ্র এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন। নির্বাচনী পরিবেশ এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিনিয়র সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, উচ্চ সুদহার, ড্যাপ নীতিমালা ও ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসে আবাসন খাত স্থবির হয়ে পড়েছে। অনেক উন্নয়নকারী নতুন প্রকল্প কমাচ্ছেন। বিজয়ী হলে তিনি এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান, ড্যাপ সংশোধন ও টিডিএস–সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।
প্রগতিশীল প্যানেলের প্রার্থী ড. হারুন অর রশিদ বলেন, বিজয়ী হলে আবাসন খাতের সমস্যা সমাধানে কাজ করা হবে। প্রথমে পাঁচ দফায় ১৫টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন, উত্তরায় প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভবন নির্মাণ এবং ড্যাপ সংশোধনসহ টিডিএস সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সংগঠনের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কার্যকর নেতৃত্ব গড়ে উঠলে দেশের আবাসন খাত আরও গতিশীল হবে এবং সদস্যদের স্বার্থ সুরক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিহ্যাবে দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০১৪ সালের পর দীর্ঘ সময় সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি গঠিত হলেও ২০২৪ সালে আবার ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন ফিরে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট।
ভোটগ্রহণ শেষে কিছু সময় বিরতি দিয়ে শুরু হবে ভোট গণনা। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ফলাফলের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে আবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা।
ইএআর/এসএইচএস
What's Your Reaction?