রূপকথা ফিরিয়ে আনার মিশনে মানেকে নিয়েই সেনেগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
বিশ্বকাপের আঙিনায় সেনেগাল মানেই গতি, শারীরিক শক্তি আর গতিশীল ফুটবলের এক অনবদ্য প্রদর্শনী। আফ্রিকান ফুটবলে ‘লায়ন্স অব তেরঙ্গা’ খ্যাত দলটির ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়টি রচিত হয়েছিল ২০০২ সালের জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপে। সেবার প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে পা রেখেই তারা পুরো ফুটবল বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দেয় সেনেগালিজরা। এরপর সুইডেনকে বিদায় করে কোয়ার্টার-ফাইনালে (শেষ আট) পৌঁছে আফ্রিকার ফুটবলকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায় তারা। ২০০২-এর রূপকথা ফিরিয়ে আনার মিশনে আজ বৃহস্পতিবার শক্তিশালী ২৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে সেনেগাল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও বড় মঞ্চে ফিরছেন তারকা ফরোয়ার্ড সাদিও মানে। আল নাসরের এই ফরোয়ার্ডকে ঘিরেই মূলত আক্রমণভাগ সাজিয়েছে আফ্রিকান এই দলটি, যেখানে অভিজ্ঞতা ও তরুণদের মিশেলে তৈরি হয়েছে এক ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড। মানে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে স্কোয়াডে থাকলেও হাঁটুর চোটের কারণে শেষ পর্যন্ত খেলা হয়নি। এবার পুরোপুরি ফিট হয়ে তিনি আবারও জাতীয় দলের মূল ভরসা হয়ে ফিরেছেন। ক্যারিয়
বিশ্বকাপের আঙিনায় সেনেগাল মানেই গতি, শারীরিক শক্তি আর গতিশীল ফুটবলের এক অনবদ্য প্রদর্শনী। আফ্রিকান ফুটবলে ‘লায়ন্স অব তেরঙ্গা’ খ্যাত দলটির ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়টি রচিত হয়েছিল ২০০২ সালের জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপে। সেবার প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে পা রেখেই তারা পুরো ফুটবল বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দেয় সেনেগালিজরা। এরপর সুইডেনকে বিদায় করে কোয়ার্টার-ফাইনালে (শেষ আট) পৌঁছে আফ্রিকার ফুটবলকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায় তারা।
২০০২-এর রূপকথা ফিরিয়ে আনার মিশনে আজ বৃহস্পতিবার শক্তিশালী ২৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে সেনেগাল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও বড় মঞ্চে ফিরছেন তারকা ফরোয়ার্ড সাদিও মানে। আল নাসরের এই ফরোয়ার্ডকে ঘিরেই মূলত আক্রমণভাগ সাজিয়েছে আফ্রিকান এই দলটি, যেখানে অভিজ্ঞতা ও তরুণদের মিশেলে তৈরি হয়েছে এক ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড।
মানে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে স্কোয়াডে থাকলেও হাঁটুর চোটের কারণে শেষ পর্যন্ত খেলা হয়নি। এবার পুরোপুরি ফিট হয়ে তিনি আবারও জাতীয় দলের মূল ভরসা হয়ে ফিরেছেন। ক্যারিয়ারে লিভারপুল ও বায়ার্ন মিউনিখের মতো ক্লাবে খেলা এই তারকা শুধু গোল করার ক্ষমতাই নয়, নেতৃত্বগুণ দিয়েও দলকে অনুপ্রাণিত করেন।
এর আগে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের একটি বিতর্কিত ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে স্টপেজ টাইম পেনাল্টির সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সেনেগালের খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে চলে যায়। তবে সেই মুহূর্তে মাঠে থাকা মানে সতীর্থদের আবারও খেলায় ফেরার আহ্বান জানান। অতিরিক্ত সময়ে পাপে গেয়ের গোলের পর সেনেগাল জয় পেলেও পরে ম্যাচের ফলাফল নিয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দেয় আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ)।
কোচ পাপে থিয়া যখন চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করবেন, তখন এই ২৮ জনের স্কোয়াড থেকে দু’জনকে বাদ পড়তে হবে। সেনেগাল তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ১৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এরপর ২২ জুন নরওয়ে এবং ২৬ জুন ইরাকের বিপক্ষে খেলবে তারা।
সেনেগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড :
গোলরক্ষক: এদুয়ার্দ মান্দি, ইভান দিয়ুফ, মোরি দিয়াও।
ডিফেন্ডার: ক্রেপিন দিয়াতা, অঁতোয়ান মান্দি, আবদুলায়ে সেক, কালিদু কুলিবালি, ইলায়ে কামারা, মুসা নিয়াখাতে, মামাদু সার, এল-হাজি মালিক দিয়ুফ, মুস্তাফা মবু, ইসমাইল জাকোবস।
মিডফিল্ডার: ইদ্রিসা গেয়ে, হাবিব দিয়ারা, পাপে মাতার সার, পাপে গেয়, লামিন কামারা, পাতেহ সিস, বারা ন্দিয়ে।
ফরোয়ার্ড: সাদিও মানে, বাম্বা দিয়েং, ইলিমান ন্দিয়ে, নিকোলাস জ্যাকসন, অসানে দিয়াও, ইব্রাহিম মবায়ে, শেরিফ ন্দিয়ে, ইসমাইলা সার।
What's Your Reaction?