রূপপুরের ‘বালিশ কাণ্ড’, জাদুঘরে রাখার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর কাছে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ৩৮টি অডিট প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বহুল আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’-সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদনও রয়েছে। ২০১৯ সালে রূপপুর প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের জন্য আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণের ঘটনা সামনে এলে ‘বালিশ কাণ্ড’ ব্যাপক আলোচনায় আসে। ওই সময়ে জানা যায়, প্রকল্পে প্রতিটি বালিশের দাম দেখানো হয় ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। এসব বালিশ ভবনের ওপরে তোলার জন্য আলাদা খরচও দেখানো হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়েও কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অডিট প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছেন। এসব প্রতিবেদনের মধ্যে ‘বালিশ কাণ্ড’-এর তদন্ত প্রতিবেদনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রতিটি বালিশের অস্বাভাবিক উচ্চমূল্য দেখে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন, এমন দামের একটি বালিশ জাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত। প্রতিবেদনে বলা হয়ে

রূপপুরের ‘বালিশ কাণ্ড’, জাদুঘরে রাখার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর কাছে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ৩৮টি অডিট প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বহুল আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’-সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদনও রয়েছে।

২০১৯ সালে রূপপুর প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের জন্য আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণের ঘটনা সামনে এলে ‘বালিশ কাণ্ড’ ব্যাপক আলোচনায় আসে। ওই সময়ে জানা যায়, প্রকল্পে প্রতিটি বালিশের দাম দেখানো হয় ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। এসব বালিশ ভবনের ওপরে তোলার জন্য আলাদা খরচও দেখানো হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়েও কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য উঠে আসে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অডিট প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছেন। এসব প্রতিবেদনের মধ্যে ‘বালিশ কাণ্ড’-এর তদন্ত প্রতিবেদনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি বালিশের অস্বাভাবিক উচ্চমূল্য দেখে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন, এমন দামের একটি বালিশ জাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় বিভিন্ন ধাপে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সেখানে প্রতিটি বালিশের দাম ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং তা খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। কভারসহ একটি কমফোর্টারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ৮০০ টাকা, যদিও এর বাজারমূল্য সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকার মধ্যে। একইভাবে একটি বিদেশি বিছানার চাদরের দাম দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ টাকা, যা বাজারদরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

অডিট প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow