রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, রেলওয়ে একটা লোকসানের প্রতিষ্ঠান। এখানে এক টাকা রোজগার করার জন্য আড়াই টাকা খরচ হয়। এটার দুইটা কারণ আছে। একটা কারণ হচ্ছে রেলওয়ের দুর্নীতি এবং রেলের অপচয়। দুর্নীতি যেন বন্ধ হয়, অপচয় যেন কমে, সেজন্য আমরা কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা-নরসংদী-ভৈরববাজার-নরসংদী-ঢাকা রুটে নতুন একজোড়া কমিউটার ট্রেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, রেলওয়ের সেবার মূল্য তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তা সত্ত্বেও কিছু কিছু এলাকার যাত্রী আছেন তারা ভাড়া দেন না। এভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে রেলের সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাবে। এজন্য আপনাদের যে যেখানে দেখবেন কেউ ভাড়া দিচ্ছে না, আমাদের নজরে আনবেন। লোকসান যদি আরও বাড়ে, তাহলে সেবা কমানো ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় থাকবে না।
- আরও পড়ুন
- স্বাধীনতা দিবসে ঢাকা-ভৈরব রুটে নতুন ট্রেন উদ্বোধন
- স্টেশনের কাউন্টারে স্ট্যান্ডিং টিকিট কিনতে ভিড়
- ঈদে ফিরতি যাত্রায় ৫ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি শুরু
তিনি বলেন, প্রফেসর ইউনূস আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার বাইরে উন্নয়ন পৌঁছাতে হবে। আমাদের উন্নয়ন হবে নামফলক বিহীন উন্নয়ন। কারও নাম ফলকে থাকবে না। আমরা নামফলক বিহীন উন্নয়নের যুগ সূচনা করতে চাই।
নতুন উদ্বোধন করার ট্রেনের স্টপেজ সংখ্যা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, যাত্রীচাহিদা কোথায় বেশি আছে সেগুলো বিশ্লেষণ করে স্টপেজ সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। সবাই নিজের বাড়ির কাছে স্টপেজ চায়, এতে তাদের সুবিধা হবে। আপনাদের চিন্তা করতে হবে, একটা স্টপেজে যদি ৫-১০ মিনিট করে থামে, তাহলে অতিরিক্ত এক ঘণ্টা সময় লাগবে। এতে অন্য যাত্রীরা বিরক্ত হবে।
এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাহিমুল হক, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এনএস/ইএ/এএসএম