রোজা অবস্থায় ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম
প্রশ্ন : আমরা জানি যে, রোজা অবস্থায় গড়গড়া কুলি করা যাবে না। এখন ফরজ গোসলে গড়াগড়া কুলি করা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে রোজা অবস্থায় কারো গোসল ফরজ হলে তিনি কীভাবে তা সম্পন্ন করবেন? গড়গড়া কুলি না করলে এবং নাকের নরম অংশে পানি না পৌঁছলে তার গোসল সম্পূর্ণ হবে কি? -আবু সাইদ, পল্টন, ঢাকা উত্তর : গোসলের মাঝে গড়গড়া করা ও নাকের গভীর পর্যন্ত পানি পৌঁছানো ফরজ নয়। বরং সুন্নত। রোজা অবস্থায় যেহেতু গড়গড়া করে কুলি করলে এবং নাকের গভীরের নরম স্থানে পানি পৌঁছানোতে ভেতরে পানি প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই গড়গড়া ও নাকের নরম স্থানে পানি পৌঁছানোতে বেশি চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিকভাবে কুলি ও নাকে পানি দেবে। এতে গোসল আদায় হবে যাবে। পেরেশান হবার কোনো কারণ নেই। (তাহতাবি আলা মারাকিল ফালাহ, কিতাবুত তাহারাহ, ‘ফরজে গোসল বর্ণনা’ অধ্যায় : পৃষ্ঠা ১০২) উত্তরদাতা মুফতী নিজাম উদ্দিন আল আদনান মুহতামিম, জামিয়াতুল কোরআন, ঢাকা
প্রশ্ন : আমরা জানি যে, রোজা অবস্থায় গড়গড়া কুলি করা যাবে না। এখন ফরজ গোসলে গড়াগড়া কুলি করা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে রোজা অবস্থায় কারো গোসল ফরজ হলে তিনি কীভাবে তা সম্পন্ন করবেন? গড়গড়া কুলি না করলে এবং নাকের নরম অংশে পানি না পৌঁছলে তার গোসল সম্পূর্ণ হবে কি?
-আবু সাইদ, পল্টন, ঢাকা
উত্তর : গোসলের মাঝে গড়গড়া করা ও নাকের গভীর পর্যন্ত পানি পৌঁছানো ফরজ নয়। বরং সুন্নত। রোজা অবস্থায় যেহেতু গড়গড়া করে কুলি করলে এবং নাকের গভীরের নরম স্থানে পানি পৌঁছানোতে ভেতরে পানি প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই গড়গড়া ও নাকের নরম স্থানে পানি পৌঁছানোতে বেশি চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিকভাবে কুলি ও নাকে পানি দেবে। এতে গোসল আদায় হবে যাবে। পেরেশান হবার কোনো কারণ নেই। (তাহতাবি আলা মারাকিল ফালাহ, কিতাবুত তাহারাহ, ‘ফরজে গোসল বর্ণনা’ অধ্যায় : পৃষ্ঠা ১০২)
উত্তরদাতা
মুফতী নিজাম উদ্দিন আল আদনান
মুহতামিম, জামিয়াতুল কোরআন, ঢাকা
What's Your Reaction?