রোজা শুরুর আগেই লেবুর হালি ১০০ টাকা

আর মাত্র তিনদিন পরই শুরু হচ্ছে রমজান। এসময়ে অন্য অনেক পণ্যের মতো চাহিদা বাড়ে লেবুর। তবে রমজান শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় চারগুণ বেড়েছে লেবুর দাম, যা সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা।   রাজধানীর বাজারগুলোতে কিংবা বাসাবাড়ির অলিগলির ভ্যানে—কোথাও এখন ৬০-৭০ টাকার কমে ছোট এক হালি লেবু পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝারি ও বড় সাইজের লেবুর হালি উঠেছে ১০০ টাকায়।   ঢাকার কাঁচাপণ্য ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঠিক দুই সপ্তাহ আগে রাজধানীর বাজারে লেবুর হালি ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা, যা গত শুক্রবার বেড়ে হয় ৫০-৬০ টাকা। এখন সর্বনিম্ন ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে লেবুর হালি।   আবার কোথাও কোথাও এক হালি বড় সাইজের লেবু ১২০ টাকা পর্যন্ত চাইছেন বিক্রেতারা, যা দরদাম করে ক্রেতারা ১০০ টাকায় কিনতে পারছেন।     রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর সরেজমিনে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে একজন ক্রেতার কাছে প্রতি পিস লেবু ৩০ টাকা চাইছিলেন বিক্রেতা খালেদ মিয়া। পরে দরদাম করে ওই ক্রেতা দুটি লেবু কেনেন ৫০ টাকায়।   বিক্রেতা খালেদ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন,

রোজা শুরুর আগেই লেবুর হালি ১০০ টাকা
আর মাত্র তিনদিন পরই শুরু হচ্ছে রমজান। এসময়ে অন্য অনেক পণ্যের মতো চাহিদা বাড়ে লেবুর। তবে রমজান শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় চারগুণ বেড়েছে লেবুর দাম, যা সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা।
 
রাজধানীর বাজারগুলোতে কিংবা বাসাবাড়ির অলিগলির ভ্যানে—কোথাও এখন ৬০-৭০ টাকার কমে ছোট এক হালি লেবু পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝারি ও বড় সাইজের লেবুর হালি উঠেছে ১০০ টাকায়।
 
ঢাকার কাঁচাপণ্য ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঠিক দুই সপ্তাহ আগে রাজধানীর বাজারে লেবুর হালি ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা, যা গত শুক্রবার বেড়ে হয় ৫০-৬০ টাকা। এখন সর্বনিম্ন ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে লেবুর হালি।
 
আবার কোথাও কোথাও এক হালি বড় সাইজের লেবু ১২০ টাকা পর্যন্ত চাইছেন বিক্রেতারা, যা দরদাম করে ক্রেতারা ১০০ টাকায় কিনতে পারছেন।
 
jagonews24
 
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর সরেজমিনে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে একজন ক্রেতার কাছে প্রতি পিস লেবু ৩০ টাকা চাইছিলেন বিক্রেতা খালেদ মিয়া। পরে দরদাম করে ওই ক্রেতা দুটি লেবু কেনেন ৫০ টাকায়।
 
বিক্রেতা খালেদ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, কিছুদিন আগেও যে দামে এক ডজন লেবু পাওয়া যেতো, এখন একই দামে এক হালির বেশি লেবু মিলছে না। আমরা পাইকারি বাজারে লেবু পাচ্ছি না। বেশি দামে কিনে, বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

পাশের বাজার সেগুনবাগিচায় পাঁচটি সবজির দোকানের মধ্যে চারটিতেই লেবু বিক্রি হচ্ছিল প্রতি হালি ১০০ টাকা দরে। বাকি একটি দোকানে বিক্রি হচ্ছিল ৮০ টাকায়, তবে হালিতে ২০ টাকা কম পাওয়া গেলেও ওই লেবুগুলো কিছুটা পাকা। এ কারণে দামও কিছুটা কম।
 
এদিন রামপুরা হাজিপাড়া বউবাজারে একটি ভ্যানে ৬০ টাকা হালি লেবু বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচা বাজারের চেয়ে ওই লেবুগুলো আকারে কিছুটা ছোট। রোববার সন্ধ্যায় কোনো বাজারে এরচেয়ে কম দামে লেবু বিক্রি হতে দেখা যায়নি।
 
বিক্রেতাদের দাবি, গত দুই সপ্তাহ আগ থেকেই বাজারে লেবুর দাম চড়া। রমজানে বাড়তি চাহিদার প্রভাব পড়েছে এ পণ্যে।
 
রমজান মাসে ধনী-গরিব নির্বিশেষে ইফতারে লেবুর শরবত অন্যতম প্রধান পানীয়। তবে রমজান শুরুর মাত্র তিনদিন বাকি থাকতে লেবুর চড়া দাম নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বাড়তি চাপ বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

মর্জিনা নামের একজন ক্রেতা জাগো নিউজকে বলেন, এক হালি লেবুর দাম ৮০ টাকা পর্যন্ত বলেছি। তারপরও বিক্রেতা দেয়নি। তাই লেবু কেনা হয়নি। চাইছিলাম রোজার আগে কিনে রাখি, দু-চারদিন পর দাম আরও বাড়বে মনে হচ্ছে।
 
jagonews24
 
দাম আকাশছোঁয়া হলেও বাজারে লেবুর কোনো সরবরাহ সংকট দেখা যায়নি। বেশিরভাগ দোকানেই কয়েক ধরনের লেবু পাওয়া যাচ্ছে। আকারে ছোট পাতি লেবুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৬০ টাকা হালি। আকারে বড় লম্বাকৃতির হলেই হালিপ্রতি দাম উঠছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। বেশিরভাগ ক্রেতাকেই চড়া দাম নিয়ে বিক্রেতার সঙ্গে দর-কষাকষি করতে দেখা গেছে।
 
একজন সবজি বিক্রেতার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বেশিরভাগ চাষিই রমজানে ভালো দাম পাওয়ার আশায় বাজারে এখনো লেবু ছাড়ছেন না। রমজানে লেবুর দাম আরও বাড়তে পারে। ফলে পাইকারি বিক্রেতারাও এখন লেবু সংরক্ষণ করতে পারেন। কারণ, এই পণ্যটি অনায়াসে বেশ কিছুদিন সংরক্ষণ করা যায়।
 
রমজানে লেবুর দাম আরও বাড়তে পারে জানিয়ে এ বিক্রেতা বলেন, তবে মনে হচ্ছে এবার রমজানের শুরুতেই লেবুর দামে রেকর্ড হবে।
 
এনএইচ/এমকেআর
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow