রোনালদো কি এখনো পর্তুগালের জন্য বোঝা?
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগাল। ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে ইতিহাসও গড়েছেন ৪১ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সেই গোলের পরও তাকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে, রোনালদো কি এখন পর্তুগালের জন্য সম্পদ, নাকি বোঝা? এনডিটিভির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে রোনালদোর পারফরম্যান্স ছিল প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই নিষ্প্রভ। তিনি ম্যাচে মাত্র একবার প্রতিপক্ষের বক্সে বল স্পর্শ করেন, আর সেটিই ছিল পেনাল্টি থেকে করা তার গোল। এরপর ৮১ মিনিটে কোচ রবার্তো মার্তিনেজ তাকে মাঠ থেকে তুলে নেন। বিশ্বকাপে এটিই প্রথমবার, নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচে রোনালদোকে বদলি করা হলো। যদিও সেই পেনাল্টি গোলে রোনালদো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান এবং সবচেয়ে বেশি বয়সে নকআউটে গোল করা ফুটবলারের রেকর্ডও গড়েন, তবুও ম্যাচে তার সামগ্রিক প্রভাব ছিল সীমিত। রোনালদো মাঠ ছাড়ার পরই আক্রমণে গতি বাড়ে পর্তুগালের। যোগ করা সময়ে গনসালো রামোসের জয়সূচক গোলে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে দলটি। ম্যাচ শেষে কোচ রবার্তো মার্তিনেজ তার সিদ্ধ
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগাল। ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে ইতিহাসও গড়েছেন ৪১ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সেই গোলের পরও তাকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে, রোনালদো কি এখন পর্তুগালের জন্য সম্পদ, নাকি বোঝা?
এনডিটিভির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে রোনালদোর পারফরম্যান্স ছিল প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই নিষ্প্রভ। তিনি ম্যাচে মাত্র একবার প্রতিপক্ষের বক্সে বল স্পর্শ করেন, আর সেটিই ছিল পেনাল্টি থেকে করা তার গোল।
এরপর ৮১ মিনিটে কোচ রবার্তো মার্তিনেজ তাকে মাঠ থেকে তুলে নেন। বিশ্বকাপে এটিই প্রথমবার, নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচে রোনালদোকে বদলি করা হলো।
যদিও সেই পেনাল্টি গোলে রোনালদো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান এবং সবচেয়ে বেশি বয়সে নকআউটে গোল করা ফুটবলারের রেকর্ডও গড়েন, তবুও ম্যাচে তার সামগ্রিক প্রভাব ছিল সীমিত। রোনালদো মাঠ ছাড়ার পরই আক্রমণে গতি বাড়ে পর্তুগালের। যোগ করা সময়ে গনসালো রামোসের জয়সূচক গোলে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে দলটি।
ম্যাচ শেষে কোচ রবার্তো মার্তিনেজ তার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় বলেন, ‘আমাদের মিডফিল্ডে আরও একজন খেলোয়াড় প্রয়োজন ছিল। দলগত ভারসাম্যের জন্যই এই পরিবর্তন করেছি।’ তার এই কৌশলই শেষ পর্যন্ত সফল হয়।
রোনালদোকে বদলি করার সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বড় টুর্নামেন্টে এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা গেছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, রোনালদোর অভিজ্ঞতা এখনও মূল্যবান হলেও আগের মতো পুরো ম্যাচজুড়ে প্রভাব বিস্তার করতে পারছেন না।
অন্যদিকে, সমর্থকদের একটি বড় অংশের বিশ্বাস, তার উপস্থিতি এখনও প্রতিপক্ষের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে এবং নেতৃত্বের দিক থেকেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জয় নিয়ে পর্তুগাল এখন শেষ ষোলোতে স্পেনের মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচে রবার্তো মার্তিনেজ রোনালদোকে কীভাবে ব্যবহার করেন, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
টিটিটি/এমএমআর
What's Your Reaction?