রোনালদোকে ইব্রাহিমোভিচের খোঁচা
এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর দেওয়া ‘আই অ্যাম ব্যাক’ (আমি ফিরে এসেছি) বার্তা নিয়ে পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে খোঁচা দিয়েছেন সুইডেনের কিংবদন্তি ফুটবলার জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা দেওয়া আল-নাসরের এই ফরোয়ার্ডকে ব্যঙ্গ করে ইব্রাহিমোভিচ বলেন, ‘আমি তো ভেবেছিলাম রোনালদো কখনোই কোথাও যাননি।’
বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘কে’-এর ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে হারায় পর্তুগাল। এর আগে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে গোল করতে পারেননি ৪১ বছর বয়সী এই তারকা।
ম্যাচে দুটি গোল করার পর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে রোনালদোকে ‘আই অ্যাম ব্যাক’ বলতে দেখা যায়। তবে ফক্স স্পোর্টসের স্টুডিওতে বিশ্লেষকের ভূমিকায় থাকা ইব্রাহিমোভিচ রোনালদোর এই উদযাপনে খুব একটা মুগ্ধ হননি।
ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে তিনি বলেন, ‘এটা এমন একটি ম্যাচ ছিল যেখানে গোল করার সুযোগ ছিল। পর্তুগালের অনেক গোল করার মতো ম্যাচ ছিল এটি। আর তার বার্তার বিষয়ে বলতে গেলে, আমি তো ভেবেছিলাম সে কখনোই কোথাও যায়নি। সে কেন বলছে ‘‘আমি ফিরে এসেছি’’, তা আমি জানি না।’
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর
এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর দেওয়া ‘আই অ্যাম ব্যাক’ (আমি ফিরে এসেছি) বার্তা নিয়ে পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে খোঁচা দিয়েছেন সুইডেনের কিংবদন্তি ফুটবলার জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা দেওয়া আল-নাসরের এই ফরোয়ার্ডকে ব্যঙ্গ করে ইব্রাহিমোভিচ বলেন, ‘আমি তো ভেবেছিলাম রোনালদো কখনোই কোথাও যাননি।’
বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘কে’-এর ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে হারায় পর্তুগাল। এর আগে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে গোল করতে পারেননি ৪১ বছর বয়সী এই তারকা।
ম্যাচে দুটি গোল করার পর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে রোনালদোকে ‘আই অ্যাম ব্যাক’ বলতে দেখা যায়। তবে ফক্স স্পোর্টসের স্টুডিওতে বিশ্লেষকের ভূমিকায় থাকা ইব্রাহিমোভিচ রোনালদোর এই উদযাপনে খুব একটা মুগ্ধ হননি।
ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে তিনি বলেন, ‘এটা এমন একটি ম্যাচ ছিল যেখানে গোল করার সুযোগ ছিল। পর্তুগালের অনেক গোল করার মতো ম্যাচ ছিল এটি। আর তার বার্তার বিষয়ে বলতে গেলে, আমি তো ভেবেছিলাম সে কখনোই কোথাও যায়নি। সে কেন বলছে ‘‘আমি ফিরে এসেছি’’, তা আমি জানি না।’
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর ক্রস থেকে ডান পায়ের শটে প্রথম গোল করেন রোনালদো। এরপর ৩৯তম মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।
এই জোড়া গোলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সী গোলদাতা হিসেবে নাম লেখান রোনালদো। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ৪২ বছর বয়সে গোল করা ক্যামেরুনের রজার মিলার পরেই অবস্থান তার।
এছাড়া বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা একমাত্র ফুটবলারও এখন রোনালদো। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর প্রতিটি আসরেই গোল করেছেন তিনি। দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসিও ছয়টি বিশ্বকাপে খেলেছেন, তবে ২০১০ আসরে গোল করতে পারেননি। ফলে এই অনন্য রেকর্ডের একক মালিক রোনালদো। যদিও বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ১৮ গোল নিয়ে এগিয়ে আছেন মেসি, যেখানে রোনালদোর গোলসংখ্যা ১০।
পর্তুগাল নকআউট পর্বে ওঠার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় সম্ভাব্য নকআউট লড়াইয়ে মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রোনালদো বলেন, ‘আমি জানি না কীভাবে এর উত্তর দেব। তবে অবশ্যই সেটা দারুণ হবে। আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল জয় পাওয়া, আর আমরা সেটাই করেছি।’
গ্রুপ ‘কে’-তে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে পর্তুগাল। আর দলটির আশা, তাদের প্রধান অস্ত্র রোনালদো গোল করার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।