রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাড়ে ৪ ঘন্টার আগুনে পুড়ল ৫’শ বসতি
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৫০০টি বসতি পুড়ে গেছে। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকায় অবস্থিত ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর প্রথমে উখিয়া ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। পরে কক্সবাজার, টেকনাফ ও রামু ফায়ার সার্ভিসের আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। মোট ১০টি ইউনিটের মধ্যে আটটি ইউনিট চারদিক থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ফায়ার সার্ভিস কক্সবাজার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য বলেন, আগুনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রায় পাঁচ শতাধিক বসতি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রোহিঙ্গাদের বরাতে তিনি জানান, ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে একটি এনজিও পরিচালিত শিখন কেন্দ্রে (লার্নিং সেন্টার) প্রথম আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন দ্রুত আশপাশের শেড ও বসতিতে ছড়িয়
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৫০০টি বসতি পুড়ে গেছে। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকায় অবস্থিত ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর প্রথমে উখিয়া ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। পরে কক্সবাজার, টেকনাফ ও রামু ফায়ার সার্ভিসের আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। মোট ১০টি ইউনিটের মধ্যে আটটি ইউনিট চারদিক থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
ফায়ার সার্ভিস কক্সবাজার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য বলেন, আগুনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রায় পাঁচ শতাধিক বসতি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রোহিঙ্গাদের বরাতে তিনি জানান, ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে একটি এনজিও পরিচালিত শিখন কেন্দ্রে (লার্নিং সেন্টার) প্রথম আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন দ্রুত আশপাশের শেড ও বসতিতে ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সকালে আগুনে পুড়ে যায় ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি হাসপাতাল। এর এক দিন আগে, ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১০টির বেশি ঘর।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, গত আট বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অন্তত ২০ থেকে ৩০ বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ১০ হাজারের বেশি ঘর পুড়ে গেছে এবং বহু রোহিঙ্গা হতাহত হয়েছে। ঘনবসতি, অপরিকল্পিত অবকাঠামো এবং পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবের কারণে ক্যাম্পগুলোতে আগুনের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।
What's Your Reaction?