র্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ড: পলাতক আসামি মিজানসহ গ্রেপ্তার ২
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। গ্রেপ্তাররা হলেন- চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) এবং সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)। র্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালালে চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। আহতদের চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারভুক্ত এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
গ্রেপ্তাররা হলেন- চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) এবং সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)।
র্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালালে চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। আহতদের চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারভুক্ত এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকা থেকে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি ভোরে বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহভাজন আসামি মো. মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?