র্যাব সদস্যদের মারধরের ঘটনায় শফিক ডাকাত গ্রেফতার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রায় দুই মাস আগে তিন র্যাব সদস্যকে আটকে রেখে মারধরের ঘটনায় কুখ্যাত শফিক ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাতে ঢাকার কামরাঙ্গীচর এলাকা থেকে র্যাব-৯ ও র্যাব-১০ এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শফিক ডাকাত উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামের শহীদ ব্যাপারীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা সহ ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে র্যাব-৯ এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৯ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুন্নবী জানান, গত ১১ মে র্যাবের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারজন গোয়েন্দা সদস্য তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাঞ্ছারামপুরে যাওয়ার পথে নবীনগরের খাগাতুয়া গ্রামে কুখ্যাত সন্ত্রাসী শফিক ডাকাত তার বাহিনী নিয়ে অতর্কিতভাবে সশস্ত্র হামলা চালায়। একইসঙ্গে তাদের ৩ ঘণ্টা আটক রেখে নির্যাতন চালায়। পরবর্তীতে অন্যান্য র্যাব সদস্য ও গ্রামবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। চারজন গোয়েন্দা সদস্যের মধ্যে তিনজন গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রায় দুই মাস আগে তিন র্যাব সদস্যকে আটকে রেখে মারধরের ঘটনায় কুখ্যাত শফিক ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাতে ঢাকার কামরাঙ্গীচর এলাকা থেকে র্যাব-৯ ও র্যাব-১০ এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শফিক ডাকাত উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামের শহীদ ব্যাপারীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা সহ ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে র্যাব-৯ এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৯ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুন্নবী জানান, গত ১১ মে র্যাবের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারজন গোয়েন্দা সদস্য তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাঞ্ছারামপুরে যাওয়ার পথে নবীনগরের খাগাতুয়া গ্রামে কুখ্যাত সন্ত্রাসী শফিক ডাকাত তার বাহিনী নিয়ে অতর্কিতভাবে সশস্ত্র হামলা চালায়। একইসঙ্গে তাদের ৩ ঘণ্টা আটক রেখে নির্যাতন চালায়। পরবর্তীতে অন্যান্য র্যাব সদস্য ও গ্রামবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়।
চারজন গোয়েন্দা সদস্যের মধ্যে তিনজন গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়। এরমধ্যে কনস্টেবল মালেকের মাথায় আঘাত, হাবিলদার রাশেদের ডান হাত ভাঙা, কনস্টেবল কাজলের বাম হাত ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তী উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিল মূলহোতা শফিক ডাকাত।
পরে রোববার গভীর রাতে একটি বিকাশ নম্বরের সূত্র ধরে কামরাঙ্গীচর এলাকা থেকে র্যাব-১০ এর সহায়তায় র্যাব ৯ এর সদস্যরা শফিক ডাকাতকে গ্রেফতার করে। সোমবার সকালে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে আসা হয়।
আবুল হাসনাত মো. রাফি/কেজে/এএসএম
What's Your Reaction?