র‍্যাবের সাবেক এএসপি মাসুদুর বরখাস্ত

র‍্যাব-৮-এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) ও ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মো. মাসুদুর রহমান মনিরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, অসদাচরণ এবং পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৫ জুলাই) জারি করা প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. মাসুদুর রহমান মনির ২০২৪ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। ওই দিন তার ব্যক্তিগত ও অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি র‍্যাব-৮-এর অধিনায়ক একই দিনে র‍্যাব সদর দপ্তরকে অবহিত করেন। পরে তার অফিস কক্ষ তল্লাশি করে ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর স্বাক্ষরিত ১০ দিনের ছুটির একটি আবেদনপত্র পাওয়া যায়। এ ছাড়া তিনি ডাকযোগে চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ চার সপ্তাহের মেডিকেল ছুটির আবেদনও পাঠান। তবে বিধি অনুযায়ী আবেদনগুলো গ্রহণযোগ্য না

র‍্যাবের সাবেক এএসপি মাসুদুর বরখাস্ত
র‍্যাব-৮-এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) ও ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মো. মাসুদুর রহমান মনিরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, অসদাচরণ এবং পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৫ জুলাই) জারি করা প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. মাসুদুর রহমান মনির ২০২৪ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। ওই দিন তার ব্যক্তিগত ও অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি র‍্যাব-৮-এর অধিনায়ক একই দিনে র‍্যাব সদর দপ্তরকে অবহিত করেন। পরে তার অফিস কক্ষ তল্লাশি করে ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর স্বাক্ষরিত ১০ দিনের ছুটির একটি আবেদনপত্র পাওয়া যায়। এ ছাড়া তিনি ডাকযোগে চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ চার সপ্তাহের মেডিকেল ছুটির আবেদনও পাঠান। তবে বিধি অনুযায়ী আবেদনগুলো গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় সেগুলো অনুমোদিত হয়নি। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অনুমতি ছাড়া ৬০ দিনের বেশি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে একই বছরের ২২ জুন সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী যথাক্রমে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তিনি কোনো জবাব দেননি। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এর ভিত্তিতে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি সেটিরও কোনো জবাব দেননি। পরে তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগের গুরুত্ব ও অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ চাওয়া হলে কমিশনও মো. মাসুদুর রহমান মনিরকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মত দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রপতি চলতি বছরের ১৩ জুলাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রস্তাবে অনুমোদন দেন। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী গুরুদণ্ড হিসেবে মো. মাসুদুর রহমান মনিরকে তার পলায়নের তারিখ ১৩ নভেম্বর থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow