লংগদু জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে ৮১ জন সুবিধাবঞ্চিত চক্ষু রোগীর চোঁখের আলো ফিরছে

পার্বত্য পাহাড়ি অঞ্চলের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন রাঙ্গামাটির লংগদু জোনের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চক্ষু অপারেশনের জন্য ৮১ জন পাহাড়ি-বাঙালি রোগীকে চট্টগ্রাম বিশেষজ্ঞ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ​মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে লংগদু জোন সদর দপ্তর প্রাঙ্গণ থেকে ‘শান্তি পরিবহন’-এর দুটি বিশেষ বাস রোগীদের নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ, এসপিপি, পিএসসি-এর সরাসরি দিকনির্দেশনায় এই জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ​লংগদু জোন সূত্রে জানা যায়, লংগদু উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকা থেকে রোগীদের বাছাই করে এই চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা হয়। সংগৃহীত তালিকা অনুযায়ী মোট ৮১ জন ছানি ও চোখের জটিলতায় ভোগা রোগীকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪১ জন নারী এবং ৪০ জন পুরুষ। যাত্রাপথ থেকে শুরু করে হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত রোগীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও দিকনির্দেশনার জন্য বিশেষ দায়িত্ব দে

লংগদু জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে ৮১ জন সুবিধাবঞ্চিত চক্ষু রোগীর চোঁখের আলো ফিরছে

পার্বত্য পাহাড়ি অঞ্চলের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন রাঙ্গামাটির লংগদু জোনের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চক্ষু অপারেশনের জন্য ৮১ জন পাহাড়ি-বাঙালি রোগীকে চট্টগ্রাম বিশেষজ্ঞ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

​মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে লংগদু জোন সদর দপ্তর প্রাঙ্গণ থেকে ‘শান্তি পরিবহন’-এর দুটি বিশেষ বাস রোগীদের নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ, এসপিপি, পিএসসি-এর সরাসরি দিকনির্দেশনায় এই জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

​লংগদু জোন সূত্রে জানা যায়, লংগদু উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকা থেকে রোগীদের বাছাই করে এই চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা হয়। সংগৃহীত তালিকা অনুযায়ী মোট ৮১ জন ছানি ও চোখের জটিলতায় ভোগা রোগীকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪১ জন নারী এবং ৪০ জন পুরুষ। যাত্রাপথ থেকে শুরু করে হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত রোগীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও দিকনির্দেশনার জন্য বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ল্যান্স কর্পোরাল রাকিব এবং মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সৈনিক আল আমিনের নেতৃত্বাধীন একটি সমন্বয়কারী দলকে।

​উন্নত স্বাস্থ্যসেবা না থাকা দুর্গম অঞ্চলের অসচ্ছল পরিবারের জন্য সেনাবাহিনী আয়োজিত এই সুযোগ নতুন আলো ছড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে যেখানে অনেকের পক্ষেই শহরে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না, সেখানে সেনাবাহিনীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ও খরচে এই চক্ষু অপারেশনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

​এ বিষয়ে লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ, এসপিপি, পিএসসি বলেন, 'বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ ও সুবিধা-বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি এই দুর্গম এলাকার অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতারই একটি অংশ। সঠিক সময়ে চিকিৎসার অভাবে অনেকেই দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে ছিলেন। এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার মাধ্যমে তাদের জীবনে নতুন করে আলো ফিরিয়ে দিতে পারলে আমরা আনন্দিত হবো। পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও জনগণের সার্বিক কল্যাণে আমাদের এ ধরনের মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।'

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow