লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় মামলা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একটি বাসায় ঢুকে মা ও তার তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে নিহত পরিবারের একমাত্র ছেলে জুনাইদ ইসলাম সিফাত বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে রায়পুর থানায় এই মামলা করেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার গোডাউন রোড নদীপাড় এলাকার আমির হোসেন মাস্টারের ৫ তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে।  নিহতরা হলেন, শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২০ ), মেজো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ছোট মেয়ে ফাতেমা আক্তার শিফা (৯)। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বাসা থেকে চিৎকার শুনে তিনি জানালা দিয়ে ভেতরে এক যুবককে দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে বাহির থেকে বাসার প্রধান ফটক আটকে দেন। এতে অভিযুক্ত অন্তর মজুমদার (৩০) ভবনের ভেতরে আটকা পড়ে। পরে রানীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে বাসায় ঢুকে চারজনের রক্তাক্ত মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। এদিকে আটকা পড়া অন্তর ভবনের ছাদে উঠে পার্শ্ববর্তী আরেকটি ভবনের ছাদে লাফিয়ে পড়ে পালানোর চেষ্টা কর

লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় মামলা
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একটি বাসায় ঢুকে মা ও তার তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে নিহত পরিবারের একমাত্র ছেলে জুনাইদ ইসলাম সিফাত বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে রায়পুর থানায় এই মামলা করেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার গোডাউন রোড নদীপাড় এলাকার আমির হোসেন মাস্টারের ৫ তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে।  নিহতরা হলেন, শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২০ ), মেজো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ছোট মেয়ে ফাতেমা আক্তার শিফা (৯)। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বাসা থেকে চিৎকার শুনে তিনি জানালা দিয়ে ভেতরে এক যুবককে দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে বাহির থেকে বাসার প্রধান ফটক আটকে দেন। এতে অভিযুক্ত অন্তর মজুমদার (৩০) ভবনের ভেতরে আটকা পড়ে। পরে রানীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে বাসায় ঢুকে চারজনের রক্তাক্ত মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। এদিকে আটকা পড়া অন্তর ভবনের ছাদে উঠে পার্শ্ববর্তী আরেকটি ভবনের ছাদে লাফিয়ে পড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে এবং গণপিটুনি দেয়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। পুলিশ জানায়, নিহত অন্তর মজুমদার (৩০) নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা এবং রায়পুর শহরে ভ্রাম্যমাণভাবে ফল বিক্রি করতেন। বর্তমানে তার মরদেহ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিবারের কেউ মরদেহ গ্রহণ করতে আসেননি। রায়পুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর রাশেদ বলেন, ‘এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow